পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ার জিকিরসমূহ আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোন (সত্য) মাবূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সব কিছুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। তাঁকে তন্দ্রা ও নিদ্রা স্পর্শ করে না। তাঁর জন্যই আসমানসমূহে যা রয়েছে তা এবং যমীনে যা আছে তা। কে সে, যে তাঁর নিকট সুপারিশ করবে তাঁর অনুমতি ছাড়া? তিনি জানেন যা আছে তাদের সামনে এবং যা আছে তাদের পেছনে। আর তারা তাঁর জ্ঞানের সামান্য পরিমাণও আয়ত্ব করতে পারে না, তবে তিনি যা চান তা ছাড়া। তাঁর কুরসী আসমানসমূহ ও জমিন পরিব্যাপ্ত করে আছে এবং এ দু’টোর সংরক্ষণ তাঁর জন্য বোঝা হয় না। আর তিনি সুউচ্চ, মহান। আয়াতুল কুরসী, [সূরা বাকারাহ, আয়াত: ২৫৫] রাসূল তার নিকট তার…
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ، فِي الْأَرْضِ، وَلَا فِي السَّمَاءِ، وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
‘আল্লাহর নামে, যার নামের সাথে আসমান ও জমিনে কোনো বস্তু কোনো ক্ষতি করতে পারে না। আর তিনি সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।’(তিন বার)
رضيت بالله ربًّا وبالإسلام دينًا وبمحمد صلى الله عليه وسلم نبيًّا.
‘আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নবী হিসেবে গ্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট।’(তিন বার)
أَصْبَحْنَا وَأَصْبَحَ الْمُلْكُ لِلَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا فِي هذا اليوم وَشَرِّ مَا بَعْدَهَ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَسُوءِ الْكِبَرِ، رَبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابٍ فِي النَّارِ وَعَذَابٍ فِي الْقَبْرِ.
আমরা এবং সারা রাজ্য আল্লাহর জন্য সকালে উপনীত হলাম। আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, তাঁরই জন্য সমস্ত রাজত্ব, তারই জন্য যাবতীয় প্রশংসা এবং তিনি সকল বস্তুর উপর সর্বশক্তিমান। হে আমার রব! আমি আপনার কাছে এই দিনে যে কল্যাণ নিহিত আছে তা এবং তার পরেও যে কল্যাণ আছে তাও প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার কাছে এই দিনে যে অকল্যাণ আছে তা এবং তারপরেও যে অকল্যাণ আছে তা থেকে আশ্রয় চাচ্ছি। হে আমার রব! আমি আপনারকাছে অলসতা, বার্ধক্য এবং বার্ধক্যের মন্দ হতে পানাহ চাচ্ছি। আমি আপনার কাছে জাহান্নাম এবং কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।আর সন্ধ্যায় বলবে,أَمْسَيْنَا وَأَمْسَى الْمُلْكُ لِلَّهِ
‘আমরা সন্ধ্যায় উপনিত হয়েছি আর সমগ্র রাজ্য আল্লাহর জন্য সন্ধ্যায় উপনিত হয়েছে।‘আর বলবে,رَبِّ أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَخَيْرَ مَا بَعْدَهَا
হে আমার রব, আমি এ রাতে যত কল্যাণ আছে তা এবং তার পরেও যে কল্যাণ আছে তাও প্রার্থনা করছি।এভাবে শেষ পর্যন্ত বলবে। তবে (أصبحنا وأصبح) ‘আমরা সকালে সকালে উপনীত হলাম’ এর পরিবর্তে সন্ধ্যা এবং (هذا اليوم) ‘এ দিনের’ পরিবর্তে রাতের কথা বলবে।
‘হে আল্লাহ! আপনারই ইচ্ছায় আমাদের সকাল হল এবং আপনারই ইচ্ছায় আমাদের সন্ধ্যা হয়, আপনারই নামে আমরা বাঁচি , আপনারই নামে আমরা মারা যাই এবং আপনার হুকুমেই আমাদের পুনরুত্থান।আর সন্ধ্যায় বলবে,«اللَّهُمَّ بِكَ أَصْبَحْنَا، وَبِكَ أَمْسَيْنَا، وَبِكَ نَحْيَا، وَبِكَ نَمُوتُ، وَإِلَيْكَ النُّشُورُ»
‘হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছাতে আমাদের সন্ধ্যা হল এবং আপনারই ইচ্ছাতে আমাদের সকাল। আপনারই নামে আমরা বাঁচি, আপনারই নামে আমরা মারা যাই এবং আপনার দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তনস্থল।
اللَّهُمَّ مَا أَصْبَحَ بِي مِنْ نِعْمَةٍ فَمِنْكَ وَحْدَكَ، لَا شَرِيكَ لَكَ، فَلَكَ الْحَمْدُ، وَلَكَ الشُّكْرُ
‘হে আল্লাহ! আমার অথবা আপনার কোন সৃষ্টির যে নি‘আমত লাভ হয় তা কেবলই আপনার থেকে। আপনি একক, আপনার কোন শরীক নেই। আপনার জন্য সকল প্রশংসা এবং আপনার জন্যই সকল কৃতজ্ঞতা।’আর সন্ধ্যায় বলবে,ما أمسى بي.
‘আমার সাথে যা কিছু সন্ধ্যায় উপনীত হলো।’
(তিনবার)
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي، اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي، اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ، وَمِنْ خَلْفِي، وَعَنْ يَمِينِي، وَعَنْ شِمَالِي، وَمِنْ فَوْقِي، وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي
“হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার কাছে ইহকাল ও পরকালের নিরাপত্তা চাচ্ছি। হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার নিকট আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের জন্য ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাচ্ছি। হে আল্লাহ! আপনি আমার দোষত্রুটিগুলো গোপন রাখুন এবং ভীতিপ্রদ বিষয়সমূহ থেকে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার সম্মুখ ও পশ্চাৎ, ডান ও বাম এবং উপর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করুন। আর আমি আপনার মাহাত্মের অসিলায় আমার নিচে ভূমিধ্বস থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لاَ إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
“হে আল্লাহ! আপনিই আমার রব। আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবূদ নেই। আপনিই আমাকে সৃষ্টি করেছন, আমি আপনার দাস। আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকারের উপর যথাসাধ্য প্রতিষ্ঠিত আছি। আমি যা করেছি, তার মন্দ থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি। আমার উপর আপনার যে নি‘আমত রয়েছে, তা আমি স্বীকার করছি এবং আমার অপরাধও আমি স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। কেননা আপনি ছাড়া আর কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।”
اللَّهُمَّ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ عَالِمَ الغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ رَبَّ كُلِّ شَيْءٍ وَمَلِيكَهُ، أشهد أن لا إله إلا أنت، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ الشَّيْطَانِ وَشِرْكِهِ، وَأَنْ أَقْتَرِفَ عَلَى نَفْسِي سُوءًا أَوْ أَجُرَّهُ إِلَى مُسْلِمٍ
“হে আল্লাহ! আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা! উপস্থিত ও অনুপস্থিতের পরিজ্ঞাতা! প্রত্যেক বস্তুর রব ও অধিপতি। আমি সাক্ষি দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবূদ নেই। আমি আমার আত্মার মন্দ থেকে এবং শয়তানের মন্দ ও শিরক থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আরও আশ্রয় চাচ্ছি, আমার নিজের কোন ক্ষতি করা অথবা কোন মুসলিমের ক্ষতি করা থেকে।
اللَّهُمَّ إِنِّي أَصْبَحْتُ أُشْهِدُكَ وَأُشْهِدُ حَمَلَةَ عَرْشِكَ وَمَلَائِكَتَكَ، وَجَمِيعَ خَلْقِكَ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُولُكَ
“হে আল্লাহ! আমি সকালে উপনীত হয়েছি, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি এবং সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীগণকে, আপনার ফিরিশতাগণকে এবং আপনার সৃষ্টিকুলকে যে, আপনি একমাত্র আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো সত্য মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার বান্দা ও রাসূল।”আর রাতে বলবে,اللهم إني أمسيت...
“হে আল্লাহ আমি সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি।”শেষ পর্যন্ত বলবে (চার বার)।
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ، وَلَهُ الحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
“আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য মাবূদ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসাও তাঁর। তিনি সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান।”সকালে অথবা সন্ধ্যায় (একশ বার)
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
“আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ঠ, তিনি ছাড়া আর কোন সত্য মাবূদ নেই। তার ওপরই ভরসা, আর তিনি মহান আরশের রব।”(সাত বার)
سبحان الله وبحمده
“আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করি, তাঁর প্রশংসার সাথে।”সকালে অথবা বিকালে বা উভয় সময়ে (১০০ বার)
أستغفر الله وأتوب إليه.
“আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকে ফিরে আসছি।”(একশ বার)
আমার জন্য যতটুকু লেখা সহজ ছিল তা লিখলাম। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, তিনি যেন এর দ্বারা সকলকে উপকৃত করেন।
এটি মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.) ২০-০১-১৪১৮ হিজরীতে লিখেছেন।
গ্রন্থটিতে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে যিকিরসমূহ সংকলন করা হয়েছে, যেন বিভিন্ন সময়ে ও পরিস্থিতিতে তা পাঠ করা সহজ হয়। এতে ঘুম থেকে উঠা, ওযু, সালাত, সফর ও অন্যান্য অবস্থার দু‘আসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে; যা মুসলিমকে তার নিজেকে সুরক্ষিত করতে সাহায্য করে, যাতে সে আল্লাহর হেফাযত ও তত্ত্বাবধানে থাকতে পারে। (আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজীদে বহু আয়াতে নিজ সম্মানার্থে বহুবচন ব্যবহার করেছেন,যা মূলত আরাবী ভাষার একটি রীতি। বাংলায় এরীতির ব্যাবহার না থাকায় সে সব আয়াতের অনুবাদে একবচনই ব্যবহার করা হয়েছে।সম্পাদক,আব্দুর রব আফ্ফান)
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি
79 ভাষা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি শীর্ষক বইটিতে সম্মানিত শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ. সহজ সাবলীল ও সূক্ষ্ম পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ দলীল প্রমাণের ভিত্তিতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন, যাতে এ বইটি একজন মুসলিমের সালাতের পথনির্দেশকারী হয়। এতে তিনি দলীল-প্রমাণসহ অযু থেকে শুরু করে সালাম ফেরানো পর্যন্ত সালাতের রুকন, সুন্নাত ইত্যাদি আদায়ের পদ্ধতি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। মানুষের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সালাত আদায় যেন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণে হয়ে থাকে, তিনি সে দিকে আহ্বান করেছেন।
ইসলামের রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
74 ভাষা
ইসলামের রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইসলামের রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" গ্রন্থটি নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশ ও বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে তাঁর বরকতময় বিবাহ, ওহীর সূচনা এবং তাঁর সর্বশেষ রিসালাতের আরম্ভ পর্যন্ত তাঁর জীবনীর পর্যালোচনা করে। এতে তাঁর নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী ও সত্যবাদিতার প্রমাণসমূহ তুলে ধরা হয়েছে এবং তিনি যে শরী‘আত নিয়ে এসেছেন তা ও মানবাধিকার এবং তার মর্যাদা রক্ষায় সেটির ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি এতে তাঁর শত্রুপক্ষের অবস্থান ও তাঁর পক্ষে তাদের সাক্ষ্যসমূহও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এবং তাঁর সেইসব উত্তম চরিত্রের ওপর আলোকপাত করা হয়েছে যা তাঁকে মানুষের জন্য আদর্শ ও স্রষ্টার…
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব: দাওয়াত ও জীবনচরিত
11 ভাষা
ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব: দাওয়াত ও জীবনচরিত
লেখক: শাইখ আব্দুল আযীয ইবনু আব্দুল্লাহ ইবন বায সকল প্রশংসা বিশ্ব জগতের রব আল্লাহর জন্য। আল্লাহ তাঁর বান্দা, রাসূল, তাঁর সৃষ্টিকূলের সর্বোৎকৃষ্ট মানব আমাদের নেতা ও ইমাম মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পরিবার পরিজন, সাহাবীগণ ও যারা তাদেরকে ভালোবাসেন তাদের উপরও রহমত, শান্তি ও বরকত নাযিল করুন। অতঃপর, হে সম্মানিত ভাইয়েরা, হে প্রিয় সন্তানগণ, এই সংক্ষিপ্ত আলোচনাটি আমি আপনাদের সামনে পেশ করছি— চিন্তাধারাকে আলোকিত করার জন্য, সত্যকে স্পষ্ট করার জন্য, আল্লাহ ও তাঁর বান্দাদের প্রতি উপদেশ দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং যার সম্পর্কে এই আলোচনা হচ্ছে, তাঁর প্রতি আমার উপর যে হক ও দায়িত্ব রয়েছে তার…