সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের উপর। অতঃপর: আমি (...............................), আমার আইডি নাম্বার: আমি ঠিক এ অবস্থায় অসিয়ত করছি যে অবস্থায় আমি শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে আমার সঠিক বিবেক ও সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এ ছাড়া যে অবস্থায় আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, এবং মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, ঈসা আল্লাহর বান্দা, রাসূল, তাঁর কালেমা ও রুহ যা তিনি মরিয়মের কাছে পাঠিয়েছিলেন, জান্নাত সত্য, জাহান্নামও সত্য, এবং কিয়ামত আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই, আর আল্লাহ মৃতদের জীবিত করবেন। আমি আমার পরিবারের…
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূলের উপর। অতঃপর:
আমি (...............................), আমার আইডি নাম্বার:
আমি ঠিক এ অবস্থায় অসিয়ত করছি যে অবস্থায় আমি শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে আমার সঠিক বিবেক ও সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। এ ছাড়া যে অবস্থায় আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই, এবং মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, ঈসা আল্লাহর বান্দা, রাসূল, তাঁর কালেমা ও রুহ যা তিনি মরিয়মের কাছে পাঠিয়েছিলেন, জান্নাত সত্য, জাহান্নামও সত্য, এবং কিয়ামত আসবে এতে কোনো সন্দেহ নেই, আর আল্লাহ মৃতদের জীবিত করবেন।
আমি আমার পরিবারের সদস্যদের অসিয়ত করছি যে, যদি আমার মৃত্যু এসে যায়, তবে তারা যেন ধৈর্যধারণ করে, আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকে এবং তাঁর ফয়সালা মেনে নেয়।
আর আমি তাদেরকে শোকসভা ও বিশেষ শোক অনুষ্ঠান আয়োজন না করতে এবং সুন্নাহ অনুসরণে যত্নশীল হতে অসিয়ত করছি।
আমি তাদেরকে সেই অসিয়ত করছি, যা ইবরাহীম ও ইয়াকুব আলাইহিমাস সালাম তদের সন্তানদের করেছেন:(يَا بَنِيَّ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَىٰ لَكُمُ الدِّينَ فَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ).
"হে আমার সন্তানগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীন নির্বাচন করেছেন, সুতরাং তোমরা মুসলিম না হয়ে অন্য অবস্থায় মৃত্যু বরণ করো না।"
অনুরূপভাবে আমি তাদেরকে অসিয়ত করছি আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করতে, গোপনে ও প্রকাশ্যে তাঁকে ভয় করতে এবং তারা যেন আল্লাহর বিধি মেনে চলে, তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করে ও নিষেধকৃত বিষয় থেকে বিরত থাকে। আমি তাদেরকে সালাতের হেফাজত করতে বলছি, কারণ এটি দ্বীনের মূল ভিত্তি।
আমি তাদেরকে বিভাজন ও মতভেদ এড়িয়ে চলতে অসিয়ত করতেছি, এছাড়াও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে, একে অপরের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন না করতে, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে, তাদের সম্পদ সুরক্ষিত রাখতে এবং তাতে আল্লাহর বিধি-বিধান মেনে চলতে অসিয়ত করছি। আর তারা যেন হালাল ও পবিত্র ব্যবসাই করে এবং কম-বেশি সব রকমের সুদী কারবার থেকে দূরে থাকে। আর নিজেদের দীন ও দুনিয়ার উপকারে একে অপরকে সহযোগিতা করতে তাদের আমি নির্দেশ দিয়েছি।
এছাড়াও আমি তাদেরকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অসিয়ত করছি:
প্রথমত: আমার উপর যেসব দেনা রয়েছে, তা দ্রুত পরিশোধ করার উদ্যোগ নেওয়া। কারণ: (মুমিনের আত্মা তার দেনার কারণে ঝুলে থাকে; যতক্ষণ না তা পরিশোধিত হয়)।
এগুলো হল নিম্নরূপ:
[আল্লাহ তাআলার অধিকারসমূহ]: যেমন (যাকাত, সাওম, কাফফারা, মান্নত), যা এরূপ: .................................
স্থাবর সম্পত্তির মালিকানা, যা আমার মালিকানাধীন রয়েছে, তা অবস্থিত: মহল্লা ........., শহর ........., এবং দলিল নম্বর ............. তারিখ .........।
এর পরিমাণ: (%)
পঞ্চমত: অসিয়তের অন্তর্ভুক্ত সম্পদের তত্ত্বাবধায়ক হলেন: ( ......................... ) এবং তার পরিচয়পত্র নম্বর ( ..................... )। বাকি সম্পত্তি বিভাজনের পূর্ব পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক হলেন: ( ......................... ) এবং তার পরিচয়পত্র নম্বর ( ................... )।
আর আমার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের সঠিক শিক্ষা-দীক্ষা, তাদের সম্পদের সংরক্ষণ ও বিনিয়োগের জন্য তত্ত্বাবধায়ক হলেন: ( ................ ) এবং তার পরিচয়পত্র নম্বর: ( ................ )। আমার কন্যাদের বিয়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক হলেন: ( ..................... ) এবং তার পরিচয়পত্র নম্বর: ( ...................... )।
এবং তাদের পরে এমন ব্যক্তিরা, যাদের মধ্যে নিম্নোক্ত শর্তসমূহ বিদ্যমান: ইসলাম, প্রাপ্তবয়স্কতা, আমানতদারিতা, ক্ষমতা, ন্যায়পরায়ণতা এবং যথাসম্ভব সচ্চরিত্র। তত্ত্বাবধায়কের জন্য তার পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন করার অধিকার থাকবে, এবং এভাবে প্রতিটি তত্ত্বাবধায়ক তার পরবর্তী তত্ত্বাবধায়কের জন্য দায়িত্ব অর্পণ করবেন।
ষষ্ঠত: অসিয়তকৃত সম্পদের আয়-মুনাফা ব্যয় করা হবে কল্যাণ ও দানের বিভিন্ন খাতে, যার মধ্যে রয়েছে:
বিশেষ দাতব্য খাতে: .....................................................................
যদি আয়ের কোনো অংশ অবশিষ্ট থাকে, তবে তা সাধারণ কল্যাণমূলক কাজের জন্য ব্যয় করা হবে (শিক্ষাক্ষেত্র, সামাজিক ও ত্রাণ কার্যক্রম, দাওয়াহ কার্যক্রম, মসজিদের উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাত এবং সৎ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গণমাধ্যম)। আত্মীয়স্বজন এ ক্ষেত্রে সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাবে। প্রয়োজনের সময় নিকট আত্মীয়দেরকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
এই অসিয়তের শেষাংশে, আমি আশা করি আপনারা আমার দ্বারা সংঘটিত ভুলত্রুটি বা যে কোনো ঘাটতির জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। কেউ এসব থেকে মুক্ত নয়, আর আল্লাহই আমাদের সাহায্যকারী। আমি আপনাদের প্রতি বারবার আমার জন্য দোয়া করার অনুরোধ করছি। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যে, তিনি আমার আত্মীয়স্বজনের মধ্যে বরকত দান করুন, আমার পরিণতি উত্তম করুন, আমাকে ও আমার পিতামাতাকে ক্ষমা করুন এবং আখিরাতে আমার, আমার পিতা-মাতা এবং সমস্ত মুসলমানদের মর্যাদা উন্নত করুন। আমি এই অসিয়ত প্রমাণকারী সাক্ষীদের অনুমতি দিয়েছি, আর আল্লাহই সর্বোত্তম সাক্ষী।
এই অসিয়তনামা ...................... তারিখে লেখা হয়েছে, যা হিজরি ১৪৩ / / তারিখ মোতাবেক, এবং এটি পূর্ববর্তী বিষয়কে রহিতকারী।
নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তার পরিবার এবং সাহাবীদের প্রতি আল্লাহ তা‘আলা সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
পদবী ----- নাম ----- তারিখ ----- আইডি নম্বর ----- স্বাক্ষর
অসিয়তকারী
প্রথম সাক্ষী
দ্বিতীয় সাক্ষী
দৃষ্টি আকর্ষণ: এটি সাধারণ মুসলিমদের জন্য উপযুক্ত একটি সংক্ষিপ্ত অসিয়তনামা। আরো বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনি আপনার অসিয়ত লিখতে এবং বিনামূল্যে পরামর্শ পেতে পারেন “الوصية” অ্যাপের মাধ্যমে “অসিয়ত ও ওয়াকফ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কেন্দ্র” থেকে।
"ما حق امرئ مسلم له شيء يوصي فيه يبيت ليلتين إلا ووصيته مكتوبة عنده"
“যে মুসলিম ব্যক্তির কাছে অসিয়ত করার মতো কিছু রয়েছে, তার জন্য এটি উপযুক্ত নয় যে, সে দু'রাত কাটাবে অথচ তার অসিয়ত তার কাছে লিখিত থাকবে না।”সহীহ বুখারী। এটি গিলাফে রাখা হবে।
ما مرت علي ليلة منذ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ذلك إلا وعندي وصيتي مكتوبة .
"আমি যখন থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটি বলতে শুনেছি, তখন থেকে আমার কোনো রাত কাটেনি যে আমার অছিয়ত লিখিত অবস্থায় আমার কাছে ছিল না।"
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) -গিলাফে রাখা হবে।
“সেই ব্যক্তিই সৌভাগ্যবান, যার জীবনের শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলেও তার আমল বন্ধ হয় না।”
— ইবন কুদামা
সাধারণ মুসলিমদের জন্য সহজ অসিয়তনামা, যা গিলাফে রাখা হবে।
ইসলাম হলো বিশ্বজগতের স্রষ্টা ও নির্বাহক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করা এবং ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সাথে তাঁর জন্য অনুগত হওয়া। ইসলামের ভিত্তি হল আল্লাহতে ঈমান আনয়ন করা, তিনিই হলেন স্রষ্টা এবং তিনি ব্যতীত অন্য সব কিছু সৃষ্ট মাখলূক। একমাত্র তিনি ইবাদতের হকদার, তাঁর কোনো অংশীদার নেই। তিনি ছাড়া কেউ সত্যিকারের মাবূদ (উপাস্য) নেই। তাঁর রয়েছে সবচেয়ে সুন্দরতম নামসমূহ এবং সুউচ্চ গুণাবলি। তাঁর রয়েছে নিঃশর্ত পরিপূর্ণতা, এতে কোন অপূর্ণতা নেই। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকেও কেউ জন্ম দেয়নি। তাঁর সমকক্ষ ও সমতুল্য কেউ নেই। তিনি তাঁর কোন সৃষ্টির কোনো জিনিসের মধ্যে প্রবেশ করেন না এবং সৃষ্টিকুলের শরীরও গ্রহণ করেন…
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি
79 ভাষা
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি শীর্ষক বইটিতে সম্মানিত শাইখ আব্দুল আযীয বিন বায রহ. সহজ সাবলীল ও সূক্ষ্ম পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ দলীল প্রমাণের ভিত্তিতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সালাত আদায়ের পদ্ধতি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণনা করেছেন, যাতে এ বইটি একজন মুসলিমের সালাতের পথনির্দেশকারী হয়। এতে তিনি দলীল-প্রমাণসহ অযু থেকে শুরু করে সালাম ফেরানো পর্যন্ত সালাতের রুকন, সুন্নাত ইত্যাদি আদায়ের পদ্ধতি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। মানুষের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সালাত আদায় যেন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণে হয়ে থাকে, তিনি সে দিকে আহ্বান করেছেন।
আপনি যদি ইসলাম গ্রহণ করতে চান, তবে আপনাকে নিম্নোক্ত সাক্ষ্য স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করতে হবে, এর মর্ম অনুধাবন করতে হবে এবং এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে: আপনি যদি ইসলাম গ্রহণ করতে চান, তবে আপনাকে নিম্নোক্ত সাক্ষ্য স্পষ্টভাবে উচ্চারণ করে বলতে হবে: (أشهد أن لا إله إلا الله) “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই” (এই বাক্যটি বোঝায় যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ ইবাদতের যোগ্য নয়), أشهد أن لا إله إلا الله (অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই,) আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (وأشهد أن محمدًا رسول الله، وأن عيسى بن مريم هو عبد الله ورسوله) এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে,…