Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 83 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (47)
“পুণ্য হলো সৎ স্বভাবের নাম। আর পাপ হলো তাই, যা তোমার অন্তরে সন্দেহ সৃষ্টি করে এবং তা লোকে জেনে ফেলুক এ কথা তুমি পছন্দ কর না”।
সহীহ প্রথম হাদীসটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন, আর দ্বিতীয় হাদীসটি আহমাদ ও দারিমী বর্ণনা করেছেন।
“চারটি গুণ যে ব্যক্তির মধ্যে থাকবে, সে পুরোপুরি একজন মুনাফিক; আর যার মধ্যে এ চারটির মধ্যে একটি গুণও থাকবে, তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থাকবে — যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করে: যখন কথা বলে, মিথ্যা বলে। যখন প্রতিশ্রুতি দেয়, তা ভঙ্গ করে। যখন ঝগড়া-বিবাদ করে, সীমা লঙ্ঘন করে (অশ্লীলতা বা অন্যায় করে), যখন অঙ্গীকার করে, বিশ্বাসভঙ্গ করে”।
সহীহ ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“যখন আল্লাহ তা‘আলা জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি জিবরীল ‘আলাইহিস সালামকে জান্নাতে প্রেরণ করে বললেন: তুমি জান্নাতের দিকে তাকাও এবং এর অধিবাসীদের জন্য আমি যা প্রস্তুত করে রেখেছি তাও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ কর। জিবরীল জান্নাত দেখে ফিরে আসলেন। তারপরে বললেন: আপনার ইজ্জতের কসম! যে কোন ব্যক্তি এটা সম্পর্কে শোনা মাত্রই সেখানে প্রবেশ করবে। তারপরে আল্লাহ জান্নাতের চারপাশে কষ্টকর বিষয় দ্বারা ঢেকে দেওয়ার জন্য আদেশ করলেন। তারপর বললেন: তুমি আবার তা দেখে এসো এবং তার অধিবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত রেখেছি, তা পর্যবেক্ষণ কর। তারপর জিবরীল জান্নাতের দিকে নজর দিলেন, তখন সেখানে সব কষ্টকর বিষয়গুলো দেখে বললেন: আপনার ইজ্জতের কসম! আমি ভয় পাচ্ছি যে, সেখানে কেউই প্রবেশ করতে পারবে না। তারপর আল্লাহ তা‘আলা বললেন: যাও জাহান্নাম দেখে এসো এবং সেখানে আমি তার অধিবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত করে রেখেছি, তা পর্যবেক্ষণ কর। তখন তিনি সেখানে তাকালেন আর দেখতে পেলেন যে, তার এক অংশ অন্য অংশের উপরে আছড়ে পড়ছে। তিনি ফিরে এসে বললেন: আপনার ইজ্জতের কসম! এখানে কেউ প্রবেশ করবে না। তখন আল্লাহ তা‘আলা তার চারপাশে প্রবৃত্তির লালসা বা কামনা-বাসনা দ্বারা ঢেকে দেওয়ার আদেশ দিলেন। তারপরে তাকে বললেন: যাও, এবার দেখে এসো। তিনি সেখানে তাকানো মাত্র দেখলেন তার চারপাশে সব কামনা-বাসনার বস্তুগুলো দ্বারা আবৃত রয়েছে। তখন তিনি ফিরে এসে বললেন: আমি ভয় পাচ্ছি যে, যেই সেখান থেকে বাঁচার চেষ্টা করুক না কেন, সে তাতে প্রবেশ করবেই।”
হাসান এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।
“শয়তান তোমাদের মধ্য হতে একজনের কাছে আগমন করে জিজ্ঞাসা করতে থাকে: এটি কে সৃষ্টি করেছে? এটি কে সৃষ্টি করেছে? এক পর্যায়ে সে বলে: তোমার রবকে কে সৃষ্টি করেছে? অতএব যখন কেউ এ পর্যায়ে এসে পৌঁছাবে, সে যেন আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং বিষয়টি থেকে বিরত থাকে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“দুটি কালেমা জিহ্বার উপর (উচ্চারণে) খুবই হালকা, মীযানের পাল্লায় অত্যন্ত ভারী, রাহমান (পরম দয়ালু আল্লাহ) এর কাছে খুবই প্রিয়। তা হলো: سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ (আমি আল্লাহ তা‘আলার জন্য প্রশংসা সহ তাঁর(সকল ত্রুটি থেকে) পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমি ঘোষণা করছি মহান আল্লাহ(সকল দোষ থেকে) পূত-পবিত্র।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
”নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার দু’টি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তিনি বললেন: “এদের ’আযাব দেয়া হচ্ছে; তবে কোন গুরুতর অপরাধের জন্য তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তাদের একজন পেশাব হতে সতর্ক থাকত না। আর অপরজন চোগলখোরী(একের কথা অন্যজন কে লাগান) করে বেড়াত।” তারপর তিনি একখানি কাঁচা খেজুরের ডাল নিয়ে ভেঙ্গে দু’ভাগ করলেন এবং প্রত্যেক কবরের ওপর গেড়ে দিলেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কেন এমন করলেন? তিনি বললেন: “আশা করা যেতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত এ দু’টি শুকিয়ে না যায় তাদের আযাব হালকা করা হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“আল্লাহ তা’আলা শেষ রাতে তার বান্দার সবচেয়ে নিকটবর্তী হন। অতএব যারা এ সময় আল্লাহর যিকর করে (নামায পড়ে ও দু’আ করে), তুমি পারলে তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও”।
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।
এক বর্ষণমুখর রাতে গভীর অন্ধকারে আমাদের কে সলাত পড়ানোর উদ্দেশ্যে আমারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তালাশ করতে বের হলাম। এক স্থানে গিয়ে আমি তাঁকে পেলাম। তখন তিনি বললেন: “বল”, আমি কিছুই বললাম না। তিনি আবার বললেন: “বল” আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি আমাকে বললেন: “বল”। আমি বললাম: কি বলব? তিনি বললেন: সকাল-সন্ধ্যায় কুল হুয়াল্লাহু আহাদ এবং মুআওওয়াযাতায়ন (কুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক ও কুল আউযু বিরাব্বিন নাস) তিন বার পাঠ করবে; তবে তা সব কিছুর ক্ষেত্রে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।"
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।