Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 25 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“তোমরা আমার বিষয়ে বাড়াবাড়ি করো না, যেমনটি খৃস্টানরা ঈসা ইবনু মারইয়াম সম্পর্কে বাড়াবাড়ি করেছে। আমি তো কেবল তাঁর (আল্লাহর) বান্দা। তাই তোমরা বল, আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।”
সহীহ এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন: হে আল্লাহর রাসূল! দুটি আবশ্যককারী বিষয় কী কী? তিনি বললেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“দ্বীনের ব্যাপারে নিজের পক্ষ থেকে কঠোরতা অবলম্বনকারীরা ধ্বংস হ। ১ তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লামের নিকট নয়জন অথবা আটজন অথবা সাতজন লোক ছিলাম। তিনি বললেন, “তোমরা কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসল্লামের কাছে বাই‘আত করবে না?” (হাদীসের বর্ণনাকারী বলেন) অথচ আমরা সদ্য বাই‘আতকারী ছিলাম। সুতরাং আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রfসূল! আমরা তো আপনার কাছে বাই‘আত করেছি।’ পুনরায় তিনি বললেন, “তোমরা কি আল্লাহর রাসূলের কাছে বাই‘আত করবে না?” সুতরাং আমরা নিজেদের হাতগুলো বাড়িয়ে দিলাম ও বললাম, ‘হে আল্লাহর রfসূল! আমরা আপনার কাছে বাই‘আত করেছি। সুতরাং এখন কোন কথার ওপর আপনার কাছে বাই‘আত করব?’ তিনি বললেন, “এ কথার ওপর যে, তোমরা এক আল্লাহরই ইবাদত করবে এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরীক করবে না, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং আল্লাহর আনুগত্য করবে।” আর একটি কথা তিনি চুপিসারে বললেন, “তোমরা লোকদের নিকট কিছু চাইবে না।” অতঃপর আমি (বাই‘আত গ্রহণকারীদের) মধ্যে কিছু লোককে দেখেছি যে, তাঁদের কারো চাবুক যদি জমিনে পড়ে যেত, তাহলে তিনি কাউকে তা উঠিয়ে দিতে বলতেন না।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
‘যে বাড়িতে কুকুর এবং প্রাণীর ছবি থাকে তাতে ফেরেশতামন্ডলী প্রবেশ করেন না।’
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের উদ্দেশ্যে যখন যাত্রা শুরু করলেন, তখন তিনি মুশরিকদের একটি গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই গাছটিকে যাতু আনওয়াত’ বলা হতো। তারা এর মধ্যে তাদের অস্ত্রসমূহ লটকিয়ে রাখত। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। তাদের যাতু আনওয়াতের মতো আমাদের জন্য একটা যাতু আনওয়াতের ব্যবস্থা করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “সুবহানাল্লাহ! এটা তো মূসা (আঃ)-এর উন্মাতের কথার মতো হলো। তারা বলেছিল, কাফিরদের যেমন অনেক উপাস্য রয়েছে তদ্রুপ আমাদের জন্যও একটি উপাস্য বানিয়ে দিন। [সূরা আল-আরাফ: ১৩৮] সেই সত্তার শপথ যার হাতে আমার প্রাণ! তোমরা অবশ্যই তোমাদের পূর্ববর্তীগণের নীতি অবলম্বন করবে।”
সহীহ এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
لَا تَقُولُوا: مَا شَاءَ اللهُ وَشَاءَ فُلَانٌ، وَلَكِنْ قُولُوا: مَا شَاءَ اللهُ ثُمَّ شَاءَ فُلَانٌ ‘তোমরা বলো না যে, আল্লাহ যা চান এবং অমুক লোক যা চায়। বরং তোমরা বলো, আল্লাহ যা চান, অতঃপর অমুক যা চায়।’
হাদিসটি এর বিভিন্ন সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ। সুনানে আবূ দাউদ, নাসায়ীর সুনানুল কুবরা ও মুসনাদে আহমদ
“আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলা বলেন, আমি অংশীদারদের চেয়ে অংশীদারিত্ব [শির্ক] থেকে অধিক অমুখাপেক্ষী। কেউ যদি এমন কাজ করে, যাতে সে আমার সঙ্গে অন্য কাউকে অংশীদার স্থাপন করে, তাহলে আমি তাকে তার অংশীদারিত্ব [শির্ক] সহ বর্জন করে থাকি।’’ [1]
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন