Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 25 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কম শাস্তি প্রাপ্ত লোককে আল্লাহ্ বলবেন, দুনিয়ার মাঝে যত সম্পদ আছে তার তুল্য সম্পদ যদি (আজ) তোমার কাছে থাকত, তাহলে কি তুমি তার বিনিময়ে নিজেকে মুক্ত করার চেষ্টা করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। এরপর আল্লাহ্ বলবেন, আমি তোমাকে এর চেয়েও সহজ কাজের হুকুম দিয়েছিলাম, যখন তুমি আদমের পৃষ্ঠদেশে ছিলে। তা এই যে, তুমি আমার সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না। কিন্তু তুমি তা অস্বীকার করলে আর আমার সাথে শরীক করলে”।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কথা বললেন, আর আমি(তার সাথে)আরো একটি বললাম। নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন শরীক(ওলী ইত্যাদি) কে ডাকা অবস্থায় মারা যায়, সে জাহান্নামে যাবে।" আর আমি বললামঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর কোন শরীক(ওলী ইত্যাদি) কে না ডাকা অবস্থায় মারা যায়, সে জান্নাতে যাবে।”(বুখারীঃ4497 ও মুসলিমঃ92)
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
কতিপয় লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গনক-জ্যোতিষীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেন: “তারা কিছুই নয়।” তারা বলল: হে আল্লাহর রাসূল! তারা কোন কোন সময় এমন কথা বলে, যা সত্য ও সঠিক হয়ে থাকে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “ঐ কথাটি সত্য যা জিন শয়তান (ঊর্ধ্বজগৎ হতে) ত্বরিত শুনে নেয়। অতঃপর মোরগের করকরানোর মতো শব্দ করে তার বন্ধুর কানে পৌঁছিয়ে দেয়। এরপর সে একশর অধিক মিথ্যা কথা তার সাথে মিলিয়ে দেয়।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“তোমরা কবরের উপর বসবে না এবং কবরের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করবে না।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মৃত্যু যন্ত্রণা শুরু হলে তিনি তাঁর একটা চাদর নিজ মুখমন্ডলের ওপর নিক্ষেপ করতে থাকেন। যখন শ্বাস বন্ধ হবার উপক্রম হয়, তখন মুখ হতে চাদর সরিয়ে দেন। এই অবস্থায় তিনি বললেনঃ “ইয়াহুদী ও নাসারাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ, তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়েছে”। (এ বলে) তারা যে কার্যকলাপ করত তা হতে সতর্ক করেছিলেন।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে কিছু বিষয়ে কথা বললেন। অতপর সে বলল: আল্লাহ যা চেয়েছেন ও আপনি যা চাইলেন তাই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তুমি কি আমাকে আল্লাহর শরীক বানিয়ে দিলে ? বরং তুমি বলো: একমাত্র আল্লাহ যা চেয়েছেন তাই ।”
হাদীসটির সনদ হাসান رواه ابن ماجه والنسائي في الكبرى وأحمد
আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে ‘উফাইর নামক গাধার উপরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন: “হে মু‘আয! তুমি কী বান্দার উপরে আল্লাহর হক (অধিকার) এবং আল্লাহর উপরে বান্দাহর হক সম্পর্কে জান?” আমি বললাম: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সবচেয়ে ভালো জানেন। তিনি বললেন: “বান্দার উপরে আল্লাহর হক হচ্ছে, তারা তাঁরই ইবাদাত করবে আর কোন কিছুকে আল্লাহর সাথে শিরক করবে না। আর পক্ষান্তরে আল্লাহর উপরে বান্দার হক হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাঁর সাথে শিরক করবে না, তিনি তাকে আযাব দিবেন না।” আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কী মানুষদেরকে এটার সুসংবাদ দিব না? তিনি বললেন: “তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দিও না, তাতে তারা (শুধু এটার উপরে) নির্ভর করে বসে থাকবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“যে ব্যক্তি বলল: আল্লাহ ছাড়া সত্য কোন মা’বূদ নেই এবং আল্লাহ ছাড়া অন্যান্য যা কিছুর ইবাদত করা হয় তা অস্বীকার করলো, তার জান ও মাল হারাম হয়ে গেলো। আর তার হিসাব নিকাশ আল্লাহর নিকট।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন