Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 97 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (47)
“মুনাফিকদের ওপর সবচেয়ে কঠিন সালাত হলো এশা ও ফজরের সালাত। তারা যদি তার ফযিলত জানতো তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হত। আর আমি ইচ্ছে করেছি, সালাতের আদেশ দিব তারপর ইকামাত দেয়া হবে তারপর একজনকে মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করতে বলব। অতঃপর আমি কতক মানুষ যাদের সাথে লাকড়ির বোঝা থাকবে তাদেরকে নিয়ে সেসব লোকদের কাছে যাবো যারা সালাতে উপস্থিত হয় না এবং তাদের ওপর তাদের বাড়িঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিব।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
«يَقْبِضُ اللَّهُ الأَرْضَ، وَيَطْوِي السَّمَوَاتِ بِيَمِينِهِ، ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا المَلِكُ، أَيْنَ مُلُوكُ الأَرْضِ». “আল্লাহ জমিনকে মুষ্টিতে ধারণ করবেন আর আসমানসমূহ কে তাঁর ডান হাতে ভাজ করে রাখবেন। তারপরে বলবেন: আমিই মালিক। কোথায় দুনিয়ার মালিকেরা (রাজা-বাদশাহরা)?”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওফাতের পাঁচদিন আগে তাঁকে বলতে শুনেছি, “তোমাদের কেউ আমার খলীল (অন্তরঙ্গ বন্ধু) হওয়া থেকে আমি আল্লাহর কাছে নিষ্কৃতি চাইছি; কেননা আল্লাহ তা‘আলা আমাকে খলীলরূপে গ্রহণ করেছেন, যেমনিভাবে খলীলরূপে গ্রহণ করেছিলেন ইবরাহীম ‘আলাইহিস সালামকে। আমি যদি আমার উম্মাতের মধ্যে কাউকে খলীলরূপে গ্রহণ করতাম, তবে আবূ বকরকেই খলীলরূপে গ্রহণ করতাম। সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তী লোকেরা তাদের নবী ও নেককারদের কবরগুলোকে মাসজিদ বানিয়েছিল। সাবধান! তোমরা কবরগুলোকে মাসজিদ বানিও না। আমি তোমাদের তা থেকে নিষেধ করছি।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
নবী সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসার সাহাবীদের সম্পর্কে বলেছেন: “তাদেরকে কেবল মু’মিনরাই ভালোবাসে এবং তাদের প্রতি কেবল মুনাফিকেই বিদ্বেষ রাখে। যে ব্যক্তি তাদেরকে ভালোবাসবে, আল্লাহও তাকে ভালোবাসবেন। আর যে ব্যক্তি তাদের প্রতি বিদ্বেষ রাখবে, আল্লাহও তার প্রতি বিদ্বেষ রাখবেন।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“হে লোক সকল, আল্লাহ তা’আলা পবিত্র, তিনি পবিত্র ও হালাল বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর আল্লাহ তা’আলা তার প্রেরিত রাসূলদের যে হুকুম দিয়েছেন মুমিনদেরকেও সে হুকুম দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا، إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ} “হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র ও হালাল জিনিস আহার কর এবং ভাল কাজ কর। আমি তোমাদের কৃতকর্ম সম্বন্ধে জ্ঞাত।" (সূরা আল মু’মিনূন ২৩ঃ ৫১) তিনি (আল্লাহ) আরো বলেছেন, {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُلُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ} “তোমরা যারা ঈমান এনেছো শোনা আমি তোমাদের যে সব পবিত্র জিনিস রিযক হিসেবে দিয়েছি তা খাও”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৭২)। অতঃপর তিনি এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দূর-দূরান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সফর করে। ফলে সে ধুলি ধূসরিত রুক্ষ কেশধারী হয়ে পড়ে। অতঃপর সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, “হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পরিধেয় বস্ত্র হারাম এবং আহার্যও হারাম। কাজেই এমন ব্যক্তির দু’আ কী করে কবুল করা হবে?”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“আল্লাহ তা’আলা যালিমদের ঢিল দিয়ে থাকেন। অবশেষে যখন তাকে ধরেন, তখন আর ছাড়েন না।” (বর্ণনাকারী বলেন) এরপর তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম] এ আয়াত পাঠ করেন: “আর এরকমই বটে আপনার রবের পাকড়াও, যখন তিনি কোন জনপদবাসীকে পাকড়াও করেন তাদের জুলুমের কারণে। নিঃসন্দেহে তাঁর পাকড়াও বড় যন্ত্রণাদায়ক, অত্যন্ত কঠিন।” [সূরা হূদ, আয়াত: ১০২]
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার ওপর দুরূদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ওসীলাহ প্রার্থনা কর। কেননা, ওসীলাহ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেয়া হবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্যে ওসীলাহ প্রার্থনা করবে তার জন্যে (আমার) শাফাআত অর্জন হয়ে যাবে”।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম খোঁজ নিয়ে সাবিত ইবনু কায়েস-কে তাঁর মাজলিসে অনুপস্থিত পেলেন। তখন এক সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার কাছে তার সংবাদ নিয়ে আসবো। তিনি তাঁর কাছে এসে তাকে তার ঘরে অবনত মস্তকে বসা পেলেন। তিনি বললেন, তোমার কী অবস্থা? তিনি বললেন, অত্যন্ত খারাপ। সাবিত তার গলার স্বর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গলার স্বর থেকে উঁচু করত, ফলে তার আমল নষ্ট হয়ে গেছে। সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত।তারপর ঐ ব্যক্তি ফিরে এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন সাবিত এসব কথা বলেছে। ফলে দ্বিতীয়বার সে মহা সুসংবাদ নিয়ে হাযির হলেন, তিনি বললেন, “তুমি তাঁর কাছে যাও এবং তাকে বল, তুমি জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত নও, বরং তুমি জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত”।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম