Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 65 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বিভিন্ন প্রয়োজনে (বিবাহ ইত্যাদি অনুষ্ঠানে) পাঠের জন্য খুৎবা শিক্ষা দিয়েছেন। যা হলো: إِنَّ الحَمْدَ للهِ، نَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوْذُ بِهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا، مَنْ يَهْدِ اللهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا الله، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ، (অর্থ) “সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য। আমরা তাঁর কাছেই সাহায্য চাই, এবং তাঁর নিকটই ক্ষমা প্রার্থনা করি। তাঁর নিকট অন্তরের কুমন্ত্রণা থেকে পানাহ চাই। যাকে আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেন তাকে গোমরাহ করার কেউ নেই। আর আল্লাহ যাকে গোমরাহ করেন তাকে পথ প্রদর্শনের কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ্ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল।” {يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ والأرحام إن الله كان عليكم رقيبا} [النساء: 1] “হে মানবমন্ডলী! তোমরা তোমাদের সেই রব্ব কেই ভয় করো, যিনি তোমাদের কে এক আত্মা থেকে সৃস্টি করেছেন,সেখান থেকে তার জোড়া সৃস্টি করেছেন,এবং তাদের উভয় থেকে ছড়িয়ে দিয়েছেন বহু পরুষ ও নারী। আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাঞ্চা কর এবং সতর্ক থাক জ্ঞাতিবন্ধন সম্পর্কে। নিশ্চই আল্লাহ্ তোমাদের উপর তীক্ষ্ণদৃষ্টি রাখেন।” (সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১) {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ} [آل عمران: 102] “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, (যথোপযুক্তভাবে) তাকওয়া অবলম্বন করার মত এবং মুসলিম না হয়ে তোমরা মারা যেও না।” (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২) {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا (70) يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا} [الأحزاب:70 - 71]. “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং সঠিক কথা বলো, (তবে আল্লাহ) তোমাদের কর্ম সংশোধোন করবেন এবং তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, অবশ্যই সে বিরাট সাফল্য লাভ করবে।” (সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৭০-৭১)।
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“আল্লাহ তা‘আলার নিকট দু‘আর চেয়ে অধিক সম্মানিত কোনো বস্তু নেই।”
হাসান এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি হরফ পাঠ করবে তার জন্য এর এর কারণে একটি সাওয়াব আছে। আর সাওয়াবটি তার দশ গুণ বৃদ্ধি পায়। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।”
হাসান এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
আমি কোন এক ভ্রমণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম। একদিন যেতে যেতে আমি তার নিকটবর্তী হলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল এমন একটি কাজ সম্পর্কে আমাকে জানিয়ে দিন যা আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে এবং জাহান্নাম হতে দূরে রাখবে। তিনি বললেন: “তুমি তো আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করেছো। তবে সেই ব্যক্তির জন্য এ ব্যাপারটা অতি সহজ যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ তা’আলা তা সহজ করে দেন। তুমি আল্লাহ তা’আলারই ইবাদাত করবে, কোন কিছুকে তাঁর সাথে শরীক করবে না, নামায প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত দিবে, রামাযানের রোযা রাখবে এবং বাইতুল্লাহর হাজ্জ করবে”। তিনি আরো বললেনঃ “আমি কি তোমাকে কল্যাণের দরজাসমূহ সম্পর্কে বলে দিব না? রোযা হলো ঢালস্বরূপ, দান-খাইরাত গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, যেমনিভাবে পানি আগুনকে নিভিয়ে দেয় এবং কোন ব্যক্তির মধ্যরাতের নামায আদায় করা”। তারপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেন: {تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ} থেকে {يَعْمَلُونَ} পর্যন্ত। [অর্থ: “তাদের দেহপাশ বিছানা থেকে আলাদা হয়ে যায় এবং তারা তাদের প্রভুকে ডাকে আশায় ও ভয়ে এবং আমি তাদেরকে যে রিযক দান করেছি তা থেকে তারা ব্যয় করে। কেউই জানে না তাদের জন্য নয়নপ্রীতিকর কি লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাদের কৃতকর্মের পুরস্কারস্বরূপ"। (সূরা আস-সিজদা ১৬, ১৭) তিনি আবার বলেনঃ “আমি কি সমস্ত কাজের মূল, স্তম্ভ ও সর্বোচ্চ শিখর সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না”? আমি বললাম, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বললেনঃ “সকল কাজের মূল হলো ইসলাম, স্তম্ভ হলো নামায এবং সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ”। তিনি আরো বললেন? “আমি কি এসব কিছুর সার সম্পর্কে তোমাকে বলব না”? আমি বললাম, হ্যাঁ, হে আল্লাহর নবী! তিনি তার জিহ্বা ধরে বললেনঃ “এটা সংযত রাখ”। আমি প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর নবী! আমরা যে কথাবার্তা বলি এগুলো সম্পর্কেও কি পাকড়াও করা (জবাবদিহি) হবে? তিনি বললেনঃ “হে মু’আয! তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক! মানুষকে শুধুমাত্র জিহবার উপার্জনের কারণেই অধঃমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে”।
হাদিসটি এর বিভিন্ন সূত্রের সমন্বয়ে সহীহ। এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছি, তা হচ্ছে: তুমি আল্লাহর (বিধানসমূহের) রক্ষণাবেক্ষণ কর (তাহলে) আল্লাহও তোমার রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তুমি আল্লাহর (অধিকারসমূহ) স্মরণ রাখো, তাহলে তুমি তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে। যখন তুমি চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাও। আর যখন তুমি প্রার্থনা করবে, তখন একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। আর এ কথা জেনে রাখ যে, যদি সমগ্র উম্মত তোমার উপকার করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। আর তারা যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। কলমসমূহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ (তাকদীরের লিপি) শুকিয়ে গেছে।’’
সহীহ তিরিমিযীসহ অন্যান্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
বিপদাপদ মু’মিন পুরুষ ও নারীর নিজের জান, সন্তান-সন্ততি ও সম্পদে লেগেই থাকে, যতক্ষণা সে তার ওপর পাপ না থাকাবস্থায় আল্লাহর সাক্ষাত করেন।
হাসান এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
«الْيَهُودُ مَغْضُوبٌ عَلَيْهِمْ، وَالنَّصَارَى ضُلَّالٌ». “ইয়াহুদীরা হলো ক্রোধে নিপতিত, আর খৃস্টানরা হলো পথভ্রষ্ট।”
সহীহ এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই সিজদার মাঝখানে বলতেন: (اللَّهمَّ اغْفِرْ لي، وارْحَمْنِي، وعافِني، واهْدِني، وارزقْنِي) অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন,আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং রিজিক দান করুন।
হাদিসটি এর শাওয়াহেদ (বিভিন্ন সমার্থক হাদিস) থাকার কারণে হাসান এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।