Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 46 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন
“তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন করো, তোমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো। তোমাদের রামাযান মাসের সাওম পালন করো, তোমাদের ধন-দৌলতের যাকাত আদায় করো এবং তোমাদের প্রশাসকগণের আনুগত্য করো, তবেই তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
সহীহ এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“মিসওয়াক মুখের পবিত্রতা অর্জনের উপকরণ ও আল্লাহর সন্তোষ লাভের উপায়।”
সহীহ এটি নাসাঈ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আপনি আমাকে ইসলাম সমন্ধে এমন কথা বলে দিন, আপনার পরে যেনো তা আমাকে আর কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «قُلْ: آمَنْتُ بِاللهِ، ثُمَّ اسْتَقِمْ». “তুমি বলো, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। তারপর এর ওপরই প্রতিষ্ঠিত থাকো।”
সহীহ এটি মুসলিম ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন আমল দ্বারা মানুষ বেশি জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন: “আল্লাহর তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রের কারণে।” জিজ্ঞাসা করা হল, কোন কাজের কারণে মানুষ বেশি জাহান্নামে যাবে? তিনি বললেন: “মুখ ও লজ্জাস্থানের কারণে।”
হাসান সহীহ এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“আল্লাহ তা‘আলা সিরাতে মুস্তাকীমের একটি উদাহরণ পেশ করেছেন। যার দু’দিকে দু’টি দেয়াল রয়েছে। যাতে অনেকগুলো খোলা দরজা রয়েছে এবং তাতে ঝুলানো পর্দা রয়েছে। আর দরজায় একজন আহবায়ক আহবান করছে: হে লোকেরা! সোজা পথে এসো বাঁকা পথে যেও না। আর একজন আহবানকারী উপরে রয়েছেন। যখনই কোন বান্দা সে দরজাগুলোর কোন একটি দরজা খুলতে চায়, তখনই তিনি তাকে বলেন, সর্বনাশ! এ দরজা খুলো না। যদি তুমি এটা খুলে ফেলো, তাহলে ভিতরে ঢুকে যাবে। সরল-সুদৃঢ় পথটি হলো ইসলাম। দেয়াল দুটি হচ্ছে: আল্লাহর সীমা রেখা, খোলা দরজার অর্থ হচ্ছে ঐ সব জিনিস যা আল্লাহ তা’আলা হারাম করেছেন। পথের মাথার আহবানকারী হচ্ছে: আল্লাহর কিতাব। আর উপরের আহবানকারী হচ্ছে: আল্লাহর পক্ষ থেকে নিযুক্ত নাসীহাতকারী, যা প্রত্যেক মু’মিনের অন্তরে রয়েছে।”
সহীহ এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু’আ অধিক পাঠ করতেনঃ«يَا مُقَلِّبَ القُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ» “হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দীনের উপর প্রতিষ্ঠিত (দৃঢ়) রাখো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। আমরা ঈমান এনেছি আপনার উপর এবং আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার উপর। আপনি আমাদের ব্যাপারে কি কোনরকম আশংকা করেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কেননা, আল্লাহ তা’আলার আঙ্গুলসমূহের মধ্যকার দুটি আঙ্গুলের মাঝে সমস্ত অন্তরই অবস্থিত। তিনি যেভাবে ইচ্ছা তা পরিবর্তন করেন”।
সহীহ এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এমন কিছু আমাকে শিখিয়ে দিন, যা আল্লাহ তা’আলার নিকট আমি প্রার্থনা করতে পারি। তিনি বললেনঃ “আল্লাহ তা’আলার নিকট আপনি শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করুন”। কিছু দিন যাওয়ার পর আবার গিয়ে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এমন কিছু আমাকে শিখিয়ে দিন যা আমি আল্লাহ তা’আলার কাছে প্রার্থনা করতে পারি। তিনি আমাকে বললেনঃ “হে আব্বাস, হে আল্লাহর রাসূলের চাচা! আল্লাহ তা’আলার নিকট আপনি পৃথিবী ও আখিরাতের শান্তি ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করুন”।
সহীহ লি-গাইরিহী এটি তিরিমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“দু’আই হল ইবাদত।” এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: {وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ إِنَّ الَّذِينَ يَسْتَكْبِرُونَ عَنْ عِبَادَتِي سَيَدْخُلُونَ جَهَنَّمَ دَاخِرِينَ} [غافر: 60]». “তোমাদের রব বলেন, তোমরা আমাকেই ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। যারা অহংকারে আমার ইবাদত বিমুখ তারা অবশ্যই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।” [সূরা গাফির, আয়াত: ৬০]
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।