Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 47 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন
“যখন লোকেরা অত্যাচারীকে (অত্যাচার করতে) দেখবে এবং তার হাত না ধরবে (বাঁধা দিবে না), তখন খুব শীঘ্র আল্লাহ তা‘আলা তাদের সকলকে ব্যাপকভাবে তার শাস্তির কবলে নিয়ে নেবেন।”
সহীহ সুনানে আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ীর সুনানুল কুবরা, ইবনে মাজাহ ও মুসনাদে আহমদ
“তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে সালাতের আদেশ দাও; যখন তারা সাত বছরের হবে। আর তারা যখন দশ বছরের সন্তান হবে, তখন তাদেরকে সালাতের জন্য প্রহার কর এবং তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।”
হাসান আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন
الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، الطِّيَرَةُ شِرْكٌ، -ثلاثًا-»، وَمَا مِنَّا إِلَّا، وَلَكِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يُذْهِبُهُ بِالتَّوَكُّلِ ‘ শুভাশুভ নির্ণয় করা শির্ক।শুভাশুভ নির্ণয় করা শির্ক। শুভাশুভ নির্ণয় করা শির্ক।” একথা তিনি তিনবার বললেন। (বর্ণনাকারী বলেন) এমন কিছু আমাদের অনেকের মনে সৃষ্টি হতেই পারে, তবে তা মহান আল্লাহ তাঁর প্রতি তাওয়াক্কুল-ভরসা দ্বারা দূর করে দিবেন।’
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“সবচেয়ে মহান জিহাদ হচ্ছে জালিম শাসকের সামনে ন্যায্য কথা বলা”।
হাসান লি-গাইরিহী এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ফজরের সালাত পড়ান। তিনি জিজ্ঞাসা করেন: “অমুক এসেছে কি?” তারা বলল, না। তিনি বললেন, “অমুক এসেছে কি?” তারা বলল, না। তিনি বললেন, “এ দুটি সালাত মুনাফিকদের ওপর অন্যান্য সালাতের তুলনায় কঠিন। যদি তোমরা জানতে তাতে কত ফযীলত রয়েছে তাহলে তোমরা হাঁটুর ওপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তাতে উপস্থিত হবে। আর প্রথম কাতার ফিরিশতাদের কাতারের মতো। যদি তোমরা তার ফযীলত সম্পর্কে জানতে তাহলে তোমরা তা পাওয়ার জন্য অবশ্যই হুড়াহুড়ি করতে। একজন মানুষের সালাত তার অপর ভাইয়ের সাথে জামাতে পড়া একা পড়া থেকে উত্তম। আর দুইজন লোকের সাথে আদায় করা একজনের সাথে আদায় করা অপেক্ষা উত্তম। যত বেশি লোক হবে সেটি আল্লাহর নিকট তত বেশি প্রিয় হবে।”
সহীহ এটি আবূ দাউদ, নাসাঈ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানা থেকে বের হতেন বলতেন, «غُفْرَانَكَ»(গুফরানাকা) হে আল্লাহ আমি তোমার ক্ষমা চাই।
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“রহমান-আল্লাহ দয়াশীলদের প্রতি দয়া করেন। তোমরা যমীনবাসীদের প্রতি দয়া কর, যিনি আসমানের উপরে তিনি(আল্লাহ) তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।”
সহীহ এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ বিসমিল্লাহ.. নাযিল হওয়া ছাড়া নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সূরার পার্থক্য বুঝতেন না।
সহীহ আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন