Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 31 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

কিছু মুশরিক লাক বহু হত্যা করে এবং বেশি বেশি ব্যভিচার করে। তারপর তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আহবান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি অবগত করতেন, আমরা যা করেছি, তার কাফ্ফারা কী? এ প্রেক্ষাপটে অবতীর্ণ হয়: (অর্থ) “এবং যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন মাবূদ কে ডাকে না, আল্লাহ্ যাকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন, তাকে না-হক হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না”। [ফুরকান:৬৮] আরো অবতীর্ণ হয়ঃ ’’হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অন্যায় করে ফেলেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না।’’ [যুমার:৫৩]
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করলো, সে যেন যাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করলো, এখন তা যতো বৃদ্ধি পাবে যাদুবিদ্যাও ততো বাড়বে।”
সহীহ এটি আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
রাতভর আসমান থেকে বৃষ্টি হওয়ার পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়াতে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেন: “তোমরা কি জান যে, তোমাদের রব কী বলেছেন?” তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: “আজকে আমার বান্দারা কেউ মুমিন আবার কেউ কাফির হয়ে সকাল করেছে। যে বলেছে: আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে আমরা বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি, সে আমার উপরে বিশ্বাস স্থাপনকারী (মুমিন) এবং নক্ষত্রের (প্রভাবের) ব্যাপারে অস্বীকারকারী। আর যে বলেছে: অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যক্তি আমাকে অস্বীকারকারী (কাফির) এবং নক্ষত্রের উপরে ঈমান আনায়নকারী।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
একজন লোক বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি তার জন্য কি আমাদেরকে পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন: “যে ইসলামে ভালো কর্ম করবে, সে জাহিলী যুগে যা করেছে তার জন্যে তাকে পাকড়াও করা হবে না। আর যে ইসলামে অন্যায় কাজ করবে, তাকে প্রথম ও শেষের (অপরাধের) জন্যে পাকড়াও করা হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করে সাক্ষাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে যে, সে তাঁর সাথে শরীক স্থির করেছে, তাহলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
"তুমি একটি মহান বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, তবে এটি সেই ব্যক্তির জন্য সহজ আল্লাহ যার উপর তা সহজ করে দেন: এটি হলো: তুমি একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমজানের সিয়াম রাখবে এবং বায়তুল্লাহর (কাবা) হজ করবে। তারপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে কল্যাণের দরজাগুলোর কথা বলব? রোজা হলো ঢাল। সদকা (দান) পাপ মোচন করে যেমন পানি আগুন নিভিয়ে দেয়। এবং একজন ব্যক্তির রাতের গভীরের সালাত আদায় করার লাভ বলতে গিয়ে তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন: تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ} حَتَّى {بَلَغَ يَعْمَلُونَ} “তাদের পার্শ্বদেশ শয্যা থেকে দূরে থাকে (অর্থাৎ তারা রাতে ঘুম ছেড়ে উঠে সালাত পড়ে)...” [আস-সাজদাহ, আয়াত:১৬] তারপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে দীনের মূল বিষয়, তার স্তম্ভ ও সর্বোচ্চ শিখরের কথা বলব? আমি বললাম: “জ্বী, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি বললেন: মূল বিষয় হলো ইসলাম, তার স্তম্ভ হলো সালাত এবং সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। এরপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে এমন জিনিসের কথা বলব যা এই সব কিছুর রাশ টেনে ধরে? আমি বললাম: “অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল!” তখন তিনি তার জিহ্বা ধরে বললেন: “এটা সংযত রাখো।” আমি বললাম: “হে আল্লাহর নবী! আমরা কি বলার কারণে পাকড়াও হবো?” তিনি বললেন: “তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক(এটি আরবের একটি প্রবাদ), মানুষকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে কিসে? তাদের জিহ্বার অর্জনের (অর্থাৎ কথা বলার) ফলেই তো!”
সহীহ এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
«بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ» “ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি। -এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মাবূদ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া, হজ করা এবং রমযানের সাওম পালন করা।”
সহীহ ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“আমাকে লোকেদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে; যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোনো মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আর তাঁরা সালাত প্রতিষ্ঠা করবে ও যাকাত প্রদান করবে। যখন তারা এ কাজগুলো সম্পাদন করবে, তখন আমার পক্ষ থেকে তাদের রক্ত (জান) ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করবে; কিন্তু ইসলামের হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর ন্যস্ত হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম