Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 23 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কী বলেন, যদি আমি শুধু ফরয সালাতগুলো আদায় করি, রমজানের সিয়াম রাখি, যা হালাল তা হালাল মনে করে গ্রহণ করি এবং যা হারাম তা হারাম জেনে তা থেকে বিরত থাকি এবং এর চেয়ে বেশি কিছু না করি — তাহলেও কি আমি জান্নাতে যাব? তিনি বললেন: “হ্যাঁ।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; কথা বললে মিথ্যা বলে; অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে; এবং বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীলভাবে গালাগালি দেয়”।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আমাকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদীস বর্ণনা করেছেন আর তিনি হচ্ছেন সত্যবাদী এবং সত্যবাদী হিসেবে প্রত্যায়িত: “নিশ্চয় তোমাদের যে কোন ব্যক্তি তার মায়ের পেটে চল্লিশ দিন ও চল্লিশ রাত অবস্থান করে, তারপরে একটি জমাট রক্ত হিসেবে অনুরূপ অবস্থান করে, তারপরে একটি গোশতের টুকরা হিসেবে অনুরূপ অবস্থান করতে থাকে। তারপরে আল্লাহ সেখানে ফেরেশতা পাঠান। তাকে চারটি বিষয়ের আদেশ করা হয় এবং সে তা লিপিবদ্ধ করে দেন: ব্যক্তির রিযিক, তার জীবন, তার কর্মকাণ্ড এবং সে সৌভাগ্যবান নাকি হতভাগ্য। তারপরে তার মধ্যে রূহ ফুঁকে দেওয়া হয়। সুতরাং তোমাদের কেউ জান্নাতের আমল করতে থাকবে, এমনকি তার মধ্যে এবং জান্নাতের মধ্যে মাত্র এক গজ দূরত্ব থাকবে, তখন তার দিকে লিপিবদ্ধ (তাকদীর) এগিয়ে আসবে আর সে জাহান্নামীদের ন্যায় আমল করতে থাকবে, ফলশ্রুতিতে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আবার তোমাদের কেউ জাহান্নামীদের ন্যায় আমল করতে থাকবে, এমনকি তার মধ্যে এবং জাহান্নামের মধ্যে মাত্র এক গজ দূরত্ব থাকবে, তখন তার দিকে লিপিবদ্ধ (তাকদীর) এগিয়ে আসবে আর সে জান্নাতীদের ন্যায় আমল করতে থাকবে, ফলশ্রুতিতে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
নাজদবাসীদের মধ্য হতে এলোমেলো কেশ নিয়ে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলেন। আমরা তার ফিসফিস শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। কিন্তু আমরা বুঝতে পারছিলাম না যে তিনি কী বলছেন, এমনকি তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একেবারে কাছে চলে আসলেন। তিনি তখন ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন: “দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা।” তখন তিনি বললেন: এছাড়া কি আর কোন সালাত আমার উপরে আবশ্যক? রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: না, তবে তুমি নফল সালাত আদায় করতে পারো। আর রমাযান মাসের সিয়াম পালন করবে।” তিনি বললেন: এছাড়া কি আর কোন সিয়াম আমার উপরে আবশ্যক? রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “না। তবে চাইলে নফল সিয়াম পালন করতে পারো।” এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে যাকাতের কথা বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন: এছাড়া কি আর কোন অতিরিক্ত সাদাকা আমার উপরে আবশ্যক? রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: না। তবে তুমি নফল সাদাকা আদায় করতে পারো। অতঃপর লোকটি এ কথা বলতে বলতে চলে গেল: আল্লাহর কসম, এর উপর আমি কোন কিছু বৃদ্ধিও করবো না এবং কমও করবো না। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “লোকটি যদি সত্য বলে থাকে, তাহলে সফল হয়ে গেল।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
কিছু মুশরিক লাক বহু হত্যা করে এবং বেশি বেশি ব্যভিচার করে। তারপর তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, আপনি যা বলেন এবং যেদিকে আহবান করেন, তা অতি উত্তম। আমাদের যদি অবগত করতেন, আমরা যা করেছি, তার কাফ্ফারা কী? এ প্রেক্ষাপটে অবতীর্ণ হয়: (অর্থ) “এবং যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন মাবূদ কে ডাকে না, আল্লাহ্ যাকে হত্যা করা নিষেধ করেছেন, তাকে না-হক হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না”। [ফুরকান:৬৮] আরো অবতীর্ণ হয়ঃ ’’হে আমার বান্দাগণ! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অন্যায় করে ফেলেছ, আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না।’’ [যুমার:৫৩]
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
রাতভর আসমান থেকে বৃষ্টি হওয়ার পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়াতে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেন: “তোমরা কি জান যে, তোমাদের রব কী বলেছেন?” তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: “আজকে আমার বান্দারা কেউ মুমিন আবার কেউ কাফির হয়ে সকাল করেছে। যে বলেছে: আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে আমরা বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি, সে আমার উপরে বিশ্বাস স্থাপনকারী (মুমিন) এবং নক্ষত্রের (প্রভাবের) ব্যাপারে অস্বীকারকারী। আর যে বলেছে: অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যক্তি আমাকে অস্বীকারকারী (কাফির) এবং নক্ষত্রের উপরে ঈমান আনায়নকারী।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
একজন লোক বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি তার জন্য কি আমাদেরকে পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন: “যে ইসলামে ভালো কর্ম করবে, সে জাহিলী যুগে যা করেছে তার জন্যে তাকে পাকড়াও করা হবে না। আর যে ইসলামে অন্যায় কাজ করবে, তাকে প্রথম ও শেষের (অপরাধের) জন্যে পাকড়াও করা হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকেও শরীক না করে সাক্ষাত করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় তাঁর সাথে সাক্ষাত করবে যে, সে তাঁর সাথে শরীক স্থির করেছে, তাহলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন