Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 32 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

«يَقْبِضُ اللَّهُ الأَرْضَ، وَيَطْوِي السَّمَوَاتِ بِيَمِينِهِ، ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا المَلِكُ، أَيْنَ مُلُوكُ الأَرْضِ». “আল্লাহ জমিনকে মুষ্টিতে ধারণ করবেন আর আসমানসমূহ কে তাঁর ডান হাতে ভাজ করে রাখবেন। তারপরে বলবেন: আমিই মালিক। কোথায় দুনিয়ার মালিকেরা (রাজা-বাদশাহরা)?”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
«لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَتَقَارَبَ الزَّمَانُ، فَتَكُونَ السَّنَةُ كَالشَّهْرِ، وَيَكُونَ الشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ، وَتَكُونَ الْجُمُعَةُ كَالْيَوْمِ، وَيَكُونَ الْيَوْمُ كَالسَّاعَةِ، وَتَكُونَ السَّاعَةُ كَاحْتِرَاقِ السَّعَفَةِ الْخُوصَةُ». ‘‘সময় ছোট (কাছাকাছি) হয়ে যাওয়ার পূর্বে কিয়ামত সংঘটিত হবেনা। অতএব, এক বছরকে একমাসের সমান মনে হবে। এক মাসকে এক সপ্তাহের সমান মনে হবে। এক সপ্তাহকে একদিনের মতো মনে হবে এবং এক দিনকে এক ঘন্টার সমান মনে হবে। আর ঘন্টাকে খেজুর গাছের পাতা আগুনে পোড়ানোর মতো দ্রুত মনে হবে।”
সহীহ এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি বিষয় উল্লেখ করে বললেন: “সেটা হচ্ছে ইলম উঠে যাওয়ার সময়।” আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! ইলম কিভাবে উঠে যাবে? অথচ আমরা কুরআন পড়ছি, আমাদের সন্তানদেরকে তা পড়াচ্ছি এবং আমাদের সন্তানরাও তাদের সন্তানদেরকে কিয়ামত পর্যন্ত তা পড়াতে থাকবে। তিনি বললেন: “হে যিয়াদ! তোমার মা তোমাকে হারাক ! যদিও আমি তোমাকে মদীনার সবচেয়ে বড় ফকীহ মনে করতাম। এসব ইহুদী ও নাসারারাও কি তাওরাত-ইনজীল পড়ে না? কিন্তু তারা এই দুটি কিতাবে যা আছে সে অনুযায়ী কোন আমলই করে না।”
সহীহ লি-গাইরিহী এটি ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
“তোমরা যখন মুওয়াযযিনকে আযান দিতে শুন, তখন সে যা বলে তোমরা তাই বল। অতঃপর আমার ওপর দুরূদ পাঠ কর। কেননা, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করেন। অতঃপর আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ওসীলাহ প্রার্থনা কর। কেননা, ওসীলাহ জান্নাতের একটি সম্মানজনক স্থান। এটা আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজনকেই দেয়া হবে। আমি আশা করি, আমিই হব সে বান্দা। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আমার জন্যে ওসীলাহ প্রার্থনা করবে তার জন্যে (আমার) শাফাআত অর্জন হয়ে যাবে”।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
‘‘তোমরা কি জান, নিঃস্ব কে?’’ তাঁরা বললেন, ‘আমাদের মধ্যে নিঃস্ব ঐ ব্যক্তি, যার কাছে কোন দিরহাম এবং কোন মাল-সম্পদ নেই।’ তিনি বললেন, ‘‘আমার উম্মতের মধ্যে (আসল) নিঃস্ব তো সেই ব্যক্তি , যে কিয়ামতের দিন সালাত, সিয়াম ও যাকাত (এর নেকি) নিয়ে উপস্থিত হবে। (কিন্তু এর সাথে সাথে) সে এ অবস্থায় আসবে যে, সে কাউকে (দুনিয়াতে) গালি দিয়েছে, কারো প্রতি অপবাদ আরোপ করেছে, কারো (অবৈধরূপে) মাল ভক্ষণ করেছে, কারো রক্তপাত করেছে এবং কাউকে মেরেছে। অতঃপর এ (অত্যাচারিত)কে তার নেকী থেকে দেওয়া হবে, ওকে তার নেকী দেওয়া হবে। পরিশেষে যদি তার নেকীরাশি অন্যান্যদের দাবী পূরণ করার পূর্বেই শেষ হয়ে যায়, তখন তাদের পাপরাশি নিয়ে তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। অতঃপর তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’’
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“আমার হাউযটি এক মাসের সমান দূরত্ব। এর পানি দুধ অপেক্ষা বেশী সাদা, মেশক অপেক্ষা বেশী সুগন্ধিময়, এর পানপাত্র আসমানের তারকারাজির সমান। যে ব্যক্তি একবার তা থেকে পান করবে, সে আর কখনো পিপাসিত হবে না।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“এ বিষয়টি (দীন ইসলাম ) অবশ্যই যেখানে রাত ও দিন পৌঁছে সেখানেই পৌঁছে যাবে। এ দীনকে প্রবেশ করানো ছাড়া গ্রাম ও শহরের কোন ঘরকে আল্লাহ ছাড়বেন না। সম্মানীকে সম্মানের সাথে অথবা অসম্মানীকে অসম্মানের সাথে এ দীনকে প্রতিটি ঘরে পৌঁছাবেন। এমন সম্মান যার দ্বারা আল্লাহ ইসলামকে সম্মানীত করবেন এবং এমন অসম্মান যার দ্বারা আল্লাহ কুফরকে অসম্মান করবেন। তামীম আদ-দারী বলতেন: এটি আমি আমার পরিবারের মধ্যে উপলব্ধি করেছি। তাদের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা কল্যাণ, ইজ্জত ও সম্মান লাভ করেছে আর তাদের মধ্যে যারা কাফির ছিল, তারা বে ইজ্জতী, অপমান ও জিযিয়া বা করের আওতায় পড়েছে।”
সহীহ এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোন মাবূদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। ঈসা আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল এবং তাঁর সেই কালেমা যা তিনি মারইয়ামের মধ্যে নিক্ষেপ করেছেন ও তাঁর সৃষ্ট রূহ। আর জান্নাত সত্য ও জাহান্নাম সত্য। তবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন; তার আমল যাই হোক না কেন।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম