Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 24 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“তোমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল এবং তোমরা প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। শাসক দায়িত্বশীল, সে তার প্রজাদের ব্যাপারে জবাবদিহী করবে। একজন পুরুষ তার পরিবারে দায়িত্বশীল এবং সে তার অধীনদের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীল, কাজেই সে তার দায়িত্বের বিষয়ে জিজ্ঞাসিতা হবে। আর সেবক সে তার মুনিবের সম্পদের দায়িত্বশীল এবং সে তার দায়িত্বের বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। বস্তুত তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট কষ্টে ও আরামে; স্বাচ্ছন্দ্যে ও অপছন্দে এবং আমাদের উপর অন্যকে অগ্রাধিকার দিলেও (আমীরের) কথা শোনা ও মানার উপর বাই’আত করেছি। আরও বাই’আত করেছি যে, আমরা ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে ক্ষমতা নিয়ে টানাটানি করব না। এবং যেখানেই থাকি না কেন হক্ব বলব এবং আল্লাহর ক্ষেত্রে কোনো নিন্দুকের নিন্দার ভয় করব না।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“নসীহত প্রতিষ্ঠাই দীন।” আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, কার জন্য? তিনি বললেন: “আল্লাহর, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম শাসক এবং মুসলিম সাধারণ জনগণের।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়ার উপদেশ দিচ্ছি এবং (নেতার) কথা শ্রবণ ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিচ্ছি — যদি তোমাদের ওপর কোনো দাসকেও আমীর বানানো হয়। তোমাদের মধ্যে কেউ যদি আমার পরে জীবিত থাকে, সে অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। সুতরাং তখন তোমরা আমার সুন্নাহ এবং সঠিক পথপ্রাপ্ত, হিদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরো — যেন তোমরা তা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে রাখো (অর্থাৎ শক্তভাবে ধারণ করো)। আর নতুনভাবে তৈরি করা ধর্মীয় বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখো, কারণ প্রত্যেক বিদআত (নব উদ্ভাবিত কাজ) হলো গোমরাহি (পথভ্রষ্টতা)”।
সহীহ এটি আবূ দাঊদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
“সূর্য উদিত হয় এমন প্রতিটি দিনেই শরীরের প্রতিটি (হাড়ের) জোড়ার জন্য মানুষের সদকা করা আবশ্যক। দুই ব্যক্তির মধ্যে ন্যায় স্থাপন করা একটি সদকা, কোন ব্যক্তিকে তার বাহনে উঠতে সাহায্য করা সদকা, অথবা তার মাল বাহনে তুলে দেওয়া সদকা, ভালো কথা বলা সদকা, সালাতের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ সদকা এবং পথ থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা সদকা।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“নসীহত প্রতিষ্ঠাই দীন।” আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, কার জন্য? তিনি বললেন: “আল্লাহর, তাঁর কিতাবের, তাঁর রাসূলের, মুসলিম শাসক এবং মুসলিম সাধারণ জনগণের।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“যে বান্দাকে আল্লাহু জন সাধারণের (জনতার) দায়িত্বশীল করেছেন; অথচ সে মারা যাওয়ার সময় তাদের প্রতারণাকারী, তবে তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দেন।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
لَمَّا حَضَرَتْ أَبَا طَالِبٍ الْوَفَاةُ، جَاءَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَوَجَدَ عِنْدَهُ أَبَا جَهْلٍ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ أَبِي أُمَيَّةَ بْنِ الْمُغِيرَةِ، فَقَالَ: «أَيْ عَمِّ، قُلْ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، كَلِمَةً أُحَاجُّ لَكَ بِهَا عِنْدَ اللهِ»، فَقَالَ أَبُو جَهْلٍ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ: أَتَرْغَبُ عَنْ مِلَّةِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَلَمْ يَزَلْ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَعْرِضُهَا عَلَيْهِ، وَيُعِيدَانِهِ بِتِلْكَ الْمَقَالَةِ، حَتَّى قَالَ أَبُو طَالِبٍ آخِرَ مَا كَلَّمَهُمْ: عَلَى مِلَّةِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، وَأَبَى أَنْ يَقُولَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «وَاللهِ لَأَسْتَغْفِرَنَّ لَكَ مَا لَمْ أُنْهَ عَنْكَ»، فَأَنْزَلَ اللهُ: {مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ} [التوبة: 113]، وَأَنْزَلَ اللهُ فِي أَبِي طَالِبٍ، فَقَالَ لِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم: {إِنَّكَ لا تَهْدِي مَنْ أَحْبَبْتَ وَلَكِنَّ اللهَ يَهْدِي مَنْ يَشَاءُ} [القصص: 56]. আবূ তালিব এর মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে, আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট আসলেন। তখন সেখানে তিনি আবূ জাহাল ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ উমায়্যাহকে উপস্থিত পেলেন। (রাবী বলেন) তিনি তাকে বললেন: “হে চাচাজান! ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ কালিমা পাঠ করুন, তা হলে এর দ্বারা আমি আল্লাহর সমীপে আপনার জন্য সুপারিশ করতে পারবো।” তখন আবূ জাহাল ও ‘আবদুল্লাহ্ ইবন আবূ উমায়্যাহ তাকে বলে উঠল, তুমি কি আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাত হতে বিমুখ হবে? নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট কালিমাহ বারবার পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন। অবশেষে আবূ তালিব তাদের সামনে শেষ কথাটি যা বলল, তা এই যে, সে আবদুল মুত্তালিবের মিল্লাতের উপর অবিচল রয়েছে, সে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলতে অস্বীকার করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “আল্লাহর কসম! তবুও আমি আপনার জন্য মাগফিরাত কামনা করতে থাকব, যতক্ষণ না আমাকে তা হতে নিষেধ করা হয়।” এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা নাযিল করেন: “নবীর জন্য সংগত নয় এবং ঈমানদারদের জন্যও সংগত নয় যে,তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে।” [সূরা আত-তাওবা: ১১৩] আর আল্লাহ তা‘আলা আবূ তালিব সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নাযিল করেন: “আপনি যাকে পছন্দ করেন তাকে হিদায়াত দিতে পারবেন না। তবে আল্লাহ যাকে চান তাকেই হিদায়াত দান করেন।” [সূরা আল-কাসাস: ৫৬]
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম