Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 135 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (67)
أبو موسى الأشعري2 ‌أبي هريرة2 علي2 ‌ابن أبي أوفى1 ‌ابن عباس1 أبو أمامة1 أبو أيوب الأنصاري1 أبو بن كعب1 أبو حازم بن دينار1 أبو ذر1 أبو عبد الرحمن عبد الله بن عمر بن الخطاب1 أبو عبد الله جابر بن عبد الله الأنصاري1 أبو قتادة1 أبو مالك الأشعري1 أبو مالك الحارث بن عاصم الأشعري1 أبو مرثد الغنوي1 أبو موسى1 أبو هريرة رضي لله عنه قال1 أبو هريرة قال1 أبو يعلى شداد بن أوس1 ‌أبي الزبير قال1 ‌أبي حميد أو عن ‌أبي أسيد قال1 ‌أبي قتادة السلمي1 أبيه أبي موسى الأشعري1 المغيرة1 أم عطية1 بريدة1 بريدة بن الحصيب1 ثوبان1 ‌حطان بن عبد الله الرقاشي قال1 سالم بن أبي الجعد قال1 سعد بن أبي وقاص1 سهل بن سعد1 شداد بن أوس1 عبادة بن الصامت1 عبد الرحمن بن أبي ليلى قال1 ‌عبد الله بن زيد1 عبد الله بن سلام1 ‌عبد الله بن عمرو بن العاص1 عبد الله بن مغفل1 عثمان بن أبي العاص1 عثمان بن عفان1 عدي بن حاتم1 عقبة بن عامر1 علي بن أبي طالب1 عمار بن ياسر1 عمر بن الخطاب1 عمران بن حصين1 عمرو بن سليم الأنصاري قال1 عمرو بن عامر عن ‌أنس بن مالك قال1 قيس بن عاصم1 كعب بن عجرة1 ‌محمود بن لبيد1 مطر بن عكامس1 ميمونة أم المؤمنين1 ‌وراد كاتب المغيرة بن شعبة قال1 يحيى بن عمارة المازني قال1
“যে ব্যক্তি ফরয সালাতের পরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করতে কেবল মৃত্যু ছাড়া কোন কিছুই বাধা দেবে না।”
সহীহ এটি নাসায়ী সুনানুল কুবরা-তে বর্ণনা করেছেন।
“তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তোমাদের কাতারগুলো ঠিক করে নিবে। অতঃপর তোমাদের কেউ তোমাদের ইমামতি করবে। সে যখন তাকবীর বলবে, তোমরাও তখন তাকবীর বলবে। সে যখন {غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلا الضَّالِّينَ} [الفاتحة: 7] বলবে তোমরা তখন আমীন বলবে। আল্লাহ তোমাদের ডাকে সাড়া দিবেন। যখন সে তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে, তোমরাও তাকবীর বলে রুকু’তে যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে রুকু’তে যাবে এবং তোমাদের আগে রুকু থেকে উঠবে”। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ “এটা ওটার বিনিময়ে, (তথা ইমাম যেমন রুকু সাজদায় আগে যাবে, তেমনি আগে উঠবে)। যখন সে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলবে, তখন তোমরা اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলবে, আল্লাহ তোমাদের কথা শুনবেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভাষায় বলছেনঃ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ (আল্লাহ তার প্রশংসাকারীর প্রশংসা শুনেন)। যখন সে তাকবীর বলবে এবং সাজদায় যাবে, তোমরাও তার পরপর তাকবীর বলে সাজদায় যাবে। কেননা, ইমাম তোমাদের আগে সাজদায় যাবে এবং তোমাদের আগে সিজদা থেকে উঠবে”। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “ওটা ওটার পরিবর্তে।যখন বৈঠকের আসনে থাকবে, তখন তোমাদের প্রথম পাঠ হবে, التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلهِ، السَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ، السَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِينَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ অর্থাৎ- সকল প্রকার পবিত্র ও একান্ত মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদাতসমূহ আল্লাহরই জন্য। হে নবী! আপনার উপর আল্লাহর পক্ষ হতে শান্তি, রহমত ও বারাকাত নাযিল হোক এবং আমাদের উপর ও আল্লাহর নেককার বান্দাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য মাবূদ নেই এবং আমি এও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল ”।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“যে ব্যক্তি ফাতিহা পড়ল না তার সালাত নেই।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
«بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ» “ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি। -এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মাবূদ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া, হজ করা এবং রমযানের সাওম পালন করা।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন একজন আনসারী মহিলাকে জিজ্ঞাসা করলেন - (বর্ণনাকারী বলেন:) ইবনু ‘আব্বাস তার নাম বলেছিলেন, তবে আমি তার নাম ভুলে গিয়েছি-: “তোমাকে কিসে আমাদের সাথে হজ করতে বাধা দিল?” মহিলা জবাব দিলেন: আমাদের মাত্র দুটি পানি সিঞ্চনের কাজে ব্যবহৃত উট রয়েছে, সেখান থেকে একটি তার সন্তানের পিতা ও সন্তান হজ করতে নিয়ে গেছেন আর অপরটি আমাদের পানি সিঞ্চনের কাজে রেখে গেছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন “যখন রমাদান আসবে তখন তুমি উমরাহ করবে; কেননা রমাদানে উমরাহ পালন করা হজের সমতুল্য।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু খমর (মদ), প্রতিটি নেশা উদ্রেককারী বস্তু হারাম। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করবে, এবং তাতে আসক্ত অবস্থায় তাওবা না করে মারা যাবে, সে আখিরাতে তা পান করতে পারবে না।”
সহীহ এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন, তবে শেষ বাক্যটুকু ইমাম বুখারীও বর্ণনা করেছেন।
“বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া”।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“হে আল্লাহ! আমার কবরকে পূজনীয় মূর্তি বানিয়ে দিওনা। সেই সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ লা‘নত বর্ষণ করেছেন, যে সম্প্রদায় তাদের নবীগণের কবরকে মসজিদ তথা সিজদার জায়গায় পরিণত করেছে।”
সহীহ এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।