Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 105 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (52)
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত লোকের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। আর মাহে রমযানে যখন জিব্রাঈল তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন, তখন তিনি আরো বেশী বদান্য প্রদর্শন করতেন। জিব্রাঈল মাহে রমযানের প্রত্যেক রজনীতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁর কাছে কুরআন পুনরাবৃত্তি করতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই প্রেরিত বায়ু অপেক্ষা অধিক দানশীল ছিলেন।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“যে ব্যক্তি অযু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমুদয় গুনাহ বের হয়ে যায়, এমন কি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
সব ধরনের হিংস্র জন্তু এবং সব ধরনের নখধারী পাখি খেতে বারণ করেছেন।
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“দুনিয়া হচ্ছে সুমিষ্ট ও সবুজ-শ্যামল এবং আল্লাহ তা‘আলা তোমাদেরকে তাতে প্রতিনিধি করেছেন। অত:পর তিনি দেখবেন তোমরা কিভাবে আমল করো? সুতরাং তোমরা দুনিয়ার ব্যাপারে সাবধান হও এবং সাবধান হও নারীজাতির ব্যাপারে। কারণ বনী ইসরাইলের প্রথম ফিতনা ছিল নারীদের মাধ্যমে।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য গোসলের পানি রাখলাম, এরপরে একটি কাপড় দিয়ে তাকে আড়াল করে দিলাম। তিনি তার দুই হাতে পানি ঢেলে হাতদুটি ধুলেন, তারপরে তিনি তার ডানহাত দিয়ে বাম হাতের উপরে পানি ঢেলে তার যৌনাঙ্গ ধুলেন, তারপরে তার হাত মাটিতে মাসাহ করে তা ধুয়ে নিলেন। এরপরে গড়গড়ার সাথে কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন, মুখমণ্ডল ধুলেন, তার দুই হাতের কনুইসহ ধুয়ে নিয়ে তার মাথায় পানি ঢাললেন এবং তার সারা শরীরে পানি প্রবাহিত করলেন। এরপরে সেখান থেকে সরে এসে তার দুই পা ধুলেন। তখন আমি তার দিকে একটি কাপড় এগিয়ে দিলাম, তিনি তা গ্রহণ করলেন না, এরপরে তিনি তার হাত ঝাড়া দিতে দিতে স্থান ত্যাগ করলেন।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“এক ব্যক্তি অযু করল। কিন্তু সে তার পায়ের এক নখ পরিমাণ শুষ্ক রেখে দিল। রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি তা দেখে বললেন, তুমি ফিরে যাও এবং তোমার অযূকে সুন্দর কর। লোকটি ফিরে গেল অতঃপর সালাত আদায় করল।”
হাদিসটি এর শাওয়াহেদ (বিভিন্ন সমার্থক হাদিস) থাকার কারণে সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আমি একবার কতক আশ’আরী (গোত্রের) লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে একটি বাহন চাওয়ার জন্য এলাম। তিনি বললেনঃ “আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে বাহন দিতে পারব না। আমার কাছে কিছু নেই যা বাহন হিসাবে তোমাদেরকে দিতে পারি। অতঃপর আল্লাহ্ যতক্ষণ চাইলেন আমরা অবস্থান করলাম। এমন সময় তাঁর কাছে কিছু উট আনা হল। তখন তিনি আমাদেরকে তিনটি উট দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আমরা যখন রওনা দিলাম, তখন আমরা বলাবলি করলাম যে, আল্লাহ্ আমাদের বরকত দেবেন না। আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বাহন চাওয়ার জন্য যখন এলাম তখন তিনি আমাদেরকে বাহন দেবেন না বলে শপথ করলেন। তারপরেও আমাদেরকে বাহন দিলেন। আবূ মূসা বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলাম এবং বিষয়টি তাঁর কাছে উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাদেরকে বাহন দেইনি; বরং আল্লাহ্ দিয়েছেন। আল্লাহর শপথ! -ইনশাআল্লাহ্- আমি যখন কোন ব্যাপারে শপথ করি আর তার উল্টোটির মাঝে কল্যাণ দেখতে পাই তখন কসমের কাফ্ফারা আদায় করি। আর যেটি কল্যাণকর সেটিই করি”।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“জুমু‘আর দিন ইমামের খুতবাহ দেওয়ার সময় যখন তুমি তোমার পাশের মুসল্লীকে বললে, ‘চুপ করো’, তখন তুমি অনর্থক কাজ করলে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম