Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 48 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (34)
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কী বলেন, যদি আমি শুধু ফরয সালাতগুলো আদায় করি, রমজানের সিয়াম রাখি, যা হালাল তা হালাল মনে করে গ্রহণ করি এবং যা হারাম তা হারাম জেনে তা থেকে বিরত থাকি এবং এর চেয়ে বেশি কিছু না করি — তাহলেও কি আমি জান্নাতে যাব? তিনি বললেন: “হ্যাঁ।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রতিটি বস্তুর প্রতি দয়া করাকে ফরয করে দিয়েছেন। সুতরাং তোমরা যখন হত্যা করবে,তখন সুন্দরভাবে হত্যা করো এবং যখন জবাই করবে, তখন ভালোভাবে জবাই করো। তোমাদের প্রত্যেকে যেন নিজ ছুরি ধারাল করে নেয় এবং যবেহকৃত পশুকে আরাম দেয়।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মুখ ফিরায়ো না এবং একে অপরের কেনাবেচার উপর কেনাবেচা করো না। আর আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি যুলুম করবে না, তাকে লাঞ্ছিত করবে না, তাকে মিথ্যারোপ করবে না এবং তাকে তুচ্ছ ভাববে না। আর তাকওয়া হচ্ছে এখানে। তিনি নিজ বুকের দিকে ইঙ্গিত করে এ কথা তিনবার বললেন। কোনো মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ ভাবা একটি মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, মাল এবং তার মর্যাদা অপর মুসলিমের ওপর হারাম।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! আপনি আমাকে ইসলাম সমন্ধে এমন কথা বলে দিন, আপনার পরে যেনো তা আমাকে আর কারো কাছে জিজ্ঞেস করতে না হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «قُلْ: آمَنْتُ بِاللهِ، ثُمَّ اسْتَقِمْ». “তুমি বলো, আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি। তারপর এর ওপরই প্রতিষ্ঠিত থাকো।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“ব্যক্তির ইসলামের সৌন্দর্য হল: অনর্থক কথা-কাজ ত্যাগ করা।”
ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি হাসান। তিরিমিযীসহ অন্যান্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
“তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ দেখতে পাবে, সে যেন উক্ত অন্যায়কে তার হাত দিয়ে পরিবর্তন করে। যদি সে তা করতে সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার জিহ্বা (ভাষা) দ্বারা তা পরিবর্তন করে। যদি সে তাতেও সক্ষম না হয়, তবে সে যেন তার অন্তর দিয়ে [চেষ্টা করে এবং ঘৃণা করে]। আর এটিই হচ্ছে ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা কতিপয় বিষয় ফরয করেছেন। তোমরা সেটাকে বিনষ্ট কর না, এবং কতক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তোমরা সেটা লঙ্ঘন কর না এবং কতক বস্তু হারাম করেছেন তোমরা তাতে লিপ্ত হয়ো না, এবং তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করে কিছু বস্তু হতে ইচ্ছাকৃত চুপ থেকেছেন, তোমরা তা অনুসন্ধান কর না”।
ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি হাসান। এটি দারাকুতনী তার সুনানে এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন।
“আল্লাহ্ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন ওলীর সঙ্গে দুশমনি রাখবে, আমি তার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করব। আমার বান্দা যে সমস্ত ইবাদতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য হাসিল করে থাকে, তার মধ্যে ঐ ইবাদতের চেয়ে আমার কাছে অধিক প্রিয় আর কোন ইবাদত নেই যা আমি তার উপর ফরয করেছি। আর বান্দা নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে। এমন কি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয় পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমিই তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমিই তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমিই তার পা হয়ে যাই, যা দ্বারা সে চলে। সে যদি আমার কাছে কোন কিছু চায়, তবে আমি নিশ্চয়ই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আমি তাকে আশ্রয় দেই”।
সহীহ এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।