Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 40 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“সব কাজ (এর প্রাপ্য) হবে নিয়ত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। কাজেই যার হিজরত হবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে, তার হিজরত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্যে হয়েছে বলেই ধরা হবে। আর যার হিজরত হয় দুনিয়া অর্জনের জন্য বা কোন নারীকে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে, তার হিজরত সে উদ্দেশ্যেই হবে যে উদ্দেশ্যে সে হিজরত করেছে।”
সহীহ মুহাদ্দিসগণের ইমামদ্বয় আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল ইবন ইবরাহীম ইবনুল মুগীরাহ ইবন বারদিযবাহ আল-বুখারী এবং আবুল হুসাইন মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ ইবন মুসলিম আল-কুশাইরী আন-নাইসাপূরী তাদের উভয়ের সহীহ গ্রন্থে এটি বর্ণনা করেছেন, যে গ্রন্থ দুটি সংকলিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে সর্বাধিক বিশুদ্ধ।
«بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالحَجِّ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ» “ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি। -এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো মাবূদ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। সালাত কায়েম করা, যাকাত দেয়া, হজ করা এবং রমযানের সাওম পালন করা।”
সহীহ ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“আমাকে লোকেদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে; যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া (সত্য) কোনো মাবূদ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। আর তাঁরা সালাত প্রতিষ্ঠা করবে ও যাকাত প্রদান করবে। যখন তারা এ কাজগুলো সম্পাদন করবে, তখন আমার পক্ষ থেকে তাদের রক্ত (জান) ও মালের ব্যাপারে নিরাপত্তা লাভ করবে; কিন্তু ইসলামের হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর ওপর ন্যস্ত হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আমি যা থেকে তোমাদেরকে নিষেধ করেছি, তোমরা তা থেকে বেঁচে থাক। আর যা করতে আদেশ করেছি তা তোমরা সাধ্যানুসারে বাস্তবায়ন কর। কেননা, তোমাদের আগে যারা ছিল, তাদের অধিক প্রশ্ন এবং তাদের নবীদের সঙ্গে মতবিরোধ তাদেরকে ধ্বংস করেছে।
সহীহ ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাবারাকা ওয়াতা‘আলা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: “হে আমার বান্দারা! আমি আমার নিজ সত্তার উপর জুলুম করা কে হারাম করে নিয়েছি এবং তোমাদের মধ্যেও তা হারাম বলে ঘোষণা করছি। অতএব তোমরা একে অপরের উপর জুলুম-অত্যাচার করো না। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ছিলে দিশেহারা, তবে আমি যাকে সুপথ দেখিয়েছি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে হিদায়াত প্রার্থনা কর, আমি তোমাদের হিদায়াত দান করব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই ক্ষুধার্ত, তবে আমি যাকে খাদ্য দান করি সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে আহার চাও, আমি তোমাদের আহার করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা সবাই বস্ত্রহীন; কিন্তু আমি যাকে পরিধান করাই সে ব্যতীত। তোমরা আমার কাছে পরিধেয় চাও, আমি তোমাদের পরিধান করাব। হে আমার বান্দারা! তোমরা রাতদিন ভুল করে থাকো। আর আমিই সব ভুল ক্ষমা করি। সুতরাং তোমরা আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিব।হে আমার বান্দারা তোমরা কখনো আমার অনিষ্ট করতে পারবে না, যাতে আমি ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং তোমরা কখনো আমার উপকার করতে পারবে না, যাতে আমি উপকৃত হই। হে আমার বান্দারা! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের মানুষ ও জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর আমাকে সবচাইতে বেশি ভয় পায়, তোমরা সবাই যদি তার অন্তরের মতো হয়ে যাও তাতে আমার রাজত্ব একটুও বৃদ্ধি পাবে না। হে আমার বান্দাগণ! তোমাদের আদি, তোমাদের অন্ত, তোমাদের সকল মানুষ ও সকল জিন জাতির মধ্যে যার অন্তর সবচাইতে পাপিষ্ঠ তোমরা সবাই যদি তার অন্তরের মতো হয়ে যাও তাহলে আমার রাজত্ব কিছুমাত্র হ্রাস পাবে না। হে আমার বান্দা! তোমাদের আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত সকল মানুষ ও জিন যদি কোন বিশাল মাঠে দাঁড়িয়ে সবাই আমার কাছে আবদার করে আর আমি প্রত্যেক ব্যক্তির চাহিদা পূরণ করি তাহলে আমার কাছে যা আছে তাতে এর চাইতে বেশী কিছু হ্রাস পাবে না, যেমন কেউ সমুদ্রে একটি সূচ ডুবিয়ে দিলে যতটুকু তাথেকে হ্রাস পায়। হে আমার বান্দারা। আমি তোমাদের ’আমলই তোমাদের জন্য সংরক্ষিত রাখি। এরপর পুরোপুরিভাবে তার বিনিময় প্রদান করে থাকি। সুতরাং যে ব্যক্তি কোন কল্যাণ অর্জন করে সে যেন আল্লাহর প্রশংসা করে। আর যে তা ব্যতীত অন্য কিছু পায়, তবে সে যেন নিজেকেই দোষারোপ করে।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে”।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“তোমাদের কেউ ঈমানাদর হতে পারবে না, যতক্ষণ না তার প্রবৃত্তি আমার আনীত আদর্শের অধীন হয়।”
ইমাম নববী বলেছেন: হাদীসটি সহীহ। (এটি কিতাবুল হুজ্জাহ তে বর্ণনা করেছি, এর সনদ সহীহ)
“মানুষের প্রতিটি অস্থির সন্ধিস্থানে (হাড়ের জোড়ায়) একটি সদকা (দান) আবশ্যক। প্রতিদিন সকালে যখন সূর্য ওঠে, তখন তুমি যদি দুই ব্যক্তির মধ্যে ন্যায়বিচার করো — সেটিও সদকা। কোনো ব্যক্তিকে তার বাহনে উঠতে সাহায্য করো, কিংবা তার মালপত্র বাহনে তুলে দাও — সেটাও সদকা। একটি ভালো কথা বলা সদকা। সালাতের উদ্দেশ্যে প্রতিটি কদম ফেলা সদকা। আর রাস্তা থেকে কোনো কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেওয়া — সেটাও সদকা”।
সহীহ ইমাম বুখারী ও মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন