Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 7 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“তোমরা যদি প্রকৃতভাবেই আল্লাহ তা'আলার ওপর তাওয়াক্কুল কর, তাহলে পাখিদের যেভাবে রিযিক দেন সেভাবে তোমাদেরও রিযিক দেবেন। পাখিরা সকাল বেলা খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যা বেলায় ভরা পেটে ফিরে আসে”।
সহীহ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইমাম আহমাদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে এবং হাকেম।
"তোমার জিহ্বা যেন সর্বদা আল্লাহর জিকিরে সিক্ত থাকে।"
সহীহ এটি আহমাদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ ও ইবন হিব্বান বর্ণনা করেছেন।
“আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়ার উপদেশ দিচ্ছি এবং (নেতার) কথা শ্রবণ ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিচ্ছি — যদি তোমাদের ওপর কোনো দাসকেও আমীর বানানো হয়। তোমাদের মধ্যে কেউ যদি আমার পরে জীবিত থাকে, সে অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। সুতরাং তখন তোমরা আমার সুন্নাহ এবং সঠিক পথপ্রাপ্ত, হিদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরো — যেন তোমরা তা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে রাখো (অর্থাৎ শক্তভাবে ধারণ করো)। আর নতুনভাবে তৈরি করা ধর্মীয় বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখো, কারণ প্রত্যেক বিদআত (নব উদ্ভাবিত কাজ) হলো গোমরাহি (পথভ্রষ্টতা)”।
সহীহ এটি আবূ দাঊদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
“মানুষ পেট হতে অধিক নিকৃষ্ট কোন পাত্র পূর্ণ করে না। মেরুদণ্ড সোজা রাখতে পারে এমন কয়েক গ্রাস খাবারই আদম সন্তানের জন্য যথেষ্ট। তার চেয়েও বেশি প্রয়োজন হলে পাকস্থলীর এক-তৃতীয়াংশ খাদ্যের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখবে”।
সহীহ এটি ইমাম আহমাদ, তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন।
“যে বিষয়ে তোমার সন্দেহ হয়, তা ছেড়ে দাও আর যাতে কোন সন্দেহ নেই তা গ্রহণ কর।”
সহীহ এটি তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন।
"তুমি একটি মহান বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো, তবে এটি সেই ব্যক্তির জন্য সহজ আল্লাহ যার উপর তা সহজ করে দেন: এটি হলো: তুমি একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে কাউকে শরীক করবে না, সালাত কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে, রমজানের সিয়াম রাখবে এবং বায়তুল্লাহর (কাবা) হজ করবে। তারপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে কল্যাণের দরজাগুলোর কথা বলব? রোজা হলো ঢাল। সদকা (দান) পাপ মোচন করে যেমন পানি আগুন নিভিয়ে দেয়। এবং একজন ব্যক্তির রাতের গভীরের সালাত আদায় করার লাভ বলতে গিয়ে তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলেন: تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ} حَتَّى {بَلَغَ يَعْمَلُونَ} “তাদের পার্শ্বদেশ শয্যা থেকে দূরে থাকে (অর্থাৎ তারা রাতে ঘুম ছেড়ে উঠে সালাত পড়ে)...” [আস-সাজদাহ, আয়াত:১৬] তারপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে দীনের মূল বিষয়, তার স্তম্ভ ও সর্বোচ্চ শিখরের কথা বলব? আমি বললাম: “জ্বী, হে আল্লাহর রাসূল!” তিনি বললেন: মূল বিষয় হলো ইসলাম, তার স্তম্ভ হলো সালাত এবং সর্বোচ্চ শিখর হলো জিহাদ। এরপর তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে এমন জিনিসের কথা বলব যা এই সব কিছুর রাশ টেনে ধরে? আমি বললাম: “অবশ্যই, হে আল্লাহর রাসূল!” তখন তিনি তার জিহ্বা ধরে বললেন: “এটা সংযত রাখো।” আমি বললাম: “হে আল্লাহর নবী! আমরা কি বলার কারণে পাকড়াও হবো?” তিনি বললেন: “তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক(এটি আরবের একটি প্রবাদ), মানুষকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে কিসে? তাদের জিহ্বার অর্জনের (অর্থাৎ কথা বলার) ফলেই তো!”
সহীহ এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
“হে বালক! আমি তোমাকে কয়েকটি কালিমা (বাক্য) শিক্ষা দিচ্ছি, তা হচ্ছে: তুমি আল্লাহর (বিধানসমূহের) রক্ষণাবেক্ষণ কর (তাহলে) আল্লাহও তোমার রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তুমি আল্লাহর (অধিকারসমূহ) স্মরণ রাখো, তাহলে তুমি তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে। যখন তুমি চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাও। আর যখন তুমি প্রার্থনা করবে, তখন একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। আর এ কথা জেনে রাখ যে, যদি সমগ্র উম্মত তোমার উপকার করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। আর তারা যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। কলমসমূহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ (তাকদীরের লিপি) শুকিয়ে গেছে।’’
সহীহ তিরিমিযীসহ অন্যান্যরা হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।