Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 144 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

বর্ণনাকারী

সব বর্ণনাকারী দেখান (66)
معاذ بن جبل3 ‌ابن عباس2 أبو ذر2 ‌أبي هريرة2 عبد الله بن عمرو بن العاص2 أبو الهياج الأسدي قال1 أبو برزة الأسلمي1 أبو بشير الأنصاري1 أبو صرمة1 أبو طلحة1 أبو عبد الرحمن عبد الله بن عمر بن الخطاب1 أبو عبد الله جابر بن عبد الله الأنصاري1 أبو عمرو- وقيل1 أبو محمد عبد الله بن عمرو بن العاص1 أبو مرثد الغنوي1 أبو موسى1 أبو نجيح العرباض بن سارية1 أبو هريرة عبد الرحمن بن صخر1 أبو واقد الليثي1 أسماء بنت أبي بكر1 البراء1 البراء بن عازب1 ‌الزبير بن العوام قال1 العرباض بن سارية1 المقدام بن معديكرب1 النبي صلى الله عليه وسلم قال1 النعمان بن بشير1 أم المؤمنين أم عبد الله عائشة1 ‌أنس بن مالك1 بريدة1 تميم الداري1 جرير بن عبد الله1 جندب1 حذيفة1 حكيم بن حزام1 رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال1 زياد بن لبيد1 زيد بن خالد الجهني1 زينب بنت جحش1 سفيان بن عبد الله الثقفي1 طارق بن أشيم الأشجعي1 طاوس أنه قال1 طلحة بن عبيد الله1 عائشة وعبد الله بن عباس1 عبادة1 عبد الرحمن بن سمرة1 عبد الله بن الشخير1 ‌عبد الله بن عمرو بن العاص1 عبد الله بن مسعود قال1 عثمان بن أبي العاص1 عدي بن حاتم1 عقبة بن عامر الجهني1 عمران بن حصين1 ‌قتادة رحمه الله قال1 محمود بن لبيد1 مطر بن عكامس1
“মৃত্যুকে সাদা-কালো মিশ্রিত একটি ভেড়ার আকৃতিতে উপস্থিত করা হবে। তারপরে একজন ঘোষক ডেকে বলবেন: হে জান্নাতের অধিবাসীগণ! তখন তারা ঘাড় উঁচু করে তাকাবে আর উক্ত ঘোষক বলবেন: তোমরা কী একে চিনতে পারছ? তারা বলবে: জ্বী, এটা হচ্ছে মৃত্যু। আর এটা প্রত্যেক ব্যক্তিই দেখতে পাবে। তারপরে ঘোষক আবার ডেকে বলবেন: হে জাহান্নোমের অধিবাসীগণ! তখন তারাও ঘাড় উঁচু করে তাকাবে। আর উক্ত ঘোষক বলবেন: তোমরা কী একে চিনতে পারছ? তারা বলবে: জ্বী, এটা হচ্ছে মৃত্যু। আর এটা তাদের প্রত্যেকেই দেখতে পাবে। তারপরে ভেড়াটিকে যবাই করা হবে আর উক্ত ঘোষক বলবেন: হে জান্নাতের অধিাবসীগণ, স্থায়ীত্ব, আর কোন মৃত্যু নেই। হে জাহান্নামের অধিবাসীগণ! স্থায়ীত্ব, আর কোন মৃত্যু নেই। এরপরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঠ করলেন: وَأَنْذِرْهُمْ يَوْمَ الحَسْرَةِ إِذْ قُضِيَ الأَمْرُ وَهُمْ فِي غَفْلَةٍ যার অর্থ: “আর তাদেরকে পরিতাপ দিবসের ব্যাপারে সতর্ক কর, যখন ফয়সালা হয়ে যাবে অথচ তারা গাফিলতির মধ্যে থাকবে।” [মারইয়াম: ৩৯]। এবং এ সমস্ত লোকেরা দুনিয়াদার, যারা গাফিলতির মধ্যে থাকবে । {وَهُمْ لاَ يُؤْمِنُونَ} যার অর্থ: “আর তারা ঈমানও আনবে না।” [সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৩৯]।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বয়স যখন চল্লিশ বছর, তখন তার উপরে কুরআন অবতীর্ণ হয়। তারপরে তিনি মক্কাতে তের বছর অবস্থান করেন, তারপর তাকে হিজরতের আদেশ করা হলে তিনি মদীনাতে হিজরত করেন, সেখানে দশ বছর অবস্থান করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন।
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে ‘উফাইর নামক গাধার উপরে ছিলাম। তখন তিনি বললেন: “হে মু‘আয! তুমি কী বান্দার উপরে আল্লাহর হক (অধিকার) এবং আল্লাহর উপরে বান্দাহর হক সম্পর্কে জান?” আমি বললাম: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সবচেয়ে ভালো জানেন। তিনি বললেন: “বান্দার উপরে আল্লাহর হক হচ্ছে, তারা তাঁরই ইবাদাত করবে আর কোন কিছুকে আল্লাহর সাথে শিরক করবে না। আর পক্ষান্তরে আল্লাহর উপরে বান্দার হক হচ্ছে, যে ব্যক্তি তাঁর সাথে শিরক করবে না, তিনি তাকে আযাব দিবেন না।” আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমি কী মানুষদেরকে এটার সুসংবাদ দিব না? তিনি বললেন: “তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দিও না, তাতে তারা (শুধু এটার উপরে) নির্ভর করে বসে থাকবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের উপর হয়। অতএব তোমাদের প্রত্যেককে দেখা উচিত কাকে বন্ধু বানাবে”।
হাসান এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
রাতভর আসমান থেকে বৃষ্টি হওয়ার পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়াতে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেন: “তোমরা কি জান যে, তোমাদের রব কী বলেছেন?” তারা বললেন: আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেন: “আজকে আমার বান্দারা কেউ মুমিন আবার কেউ কাফির হয়ে সকাল করেছে। যে বলেছে: আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহে আমরা বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি, সে আমার উপরে বিশ্বাস স্থাপনকারী (মুমিন) এবং নক্ষত্রের (প্রভাবের) ব্যাপারে অস্বীকারকারী। আর যে বলেছে: অমুক অমুক তারকার কারণে বৃষ্টি হয়েছে, সে ব্যক্তি আমাকে অস্বীকারকারী (কাফির) এবং নক্ষত্রের উপরে ঈমান আনায়নকারী।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়ার উপদেশ দিচ্ছি এবং (নেতার) কথা শ্রবণ ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিচ্ছি — যদি তোমাদের ওপর কোনো দাসকেও আমীর বানানো হয়। তোমাদের মধ্যে কেউ যদি আমার পরে জীবিত থাকে, সে অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। সুতরাং তখন তোমরা আমার সুন্নাহ এবং সঠিক পথপ্রাপ্ত, হিদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরো — যেন তোমরা তা দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে রাখো (অর্থাৎ শক্তভাবে ধারণ করো)। আর নতুনভাবে তৈরি করা ধর্মীয় বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখো, কারণ প্রত্যেক বিদআত (নব উদ্ভাবিত কাজ) হলো গোমরাহি (পথভ্রষ্টতা)”।
সহীহ এটি আবূ দাঊদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।
একজন লোক বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আমরা জাহিলী যুগে যা করেছি তার জন্য কি আমাদেরকে পাকড়াও করা হবে? তিনি বললেন: “যে ইসলামে ভালো কর্ম করবে, সে জাহিলী যুগে যা করেছে তার জন্যে তাকে পাকড়াও করা হবে না। আর যে ইসলামে অন্যায় কাজ করবে, তাকে প্রথম ও শেষের (অপরাধের) জন্যে পাকড়াও করা হবে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“আমি তোমাদের ওপর যে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভয় করি তা হচ্ছে ছোট শির্ক।” সাহাবীগণ বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! ছোট শির্ক কী? তিনি বলেন: রিয়া (লোক দেখানো)। যে দিন মহান আল্লাহ বান্দাদেরকে তাদের আমল অনুযায়ী বিনিময় দিবেন। সেদিন তিনি বলবেন: দুনিয়ায় যাদেরকে দেখানোর উদ্দেশ্যে তোমরা আমল করতে তাদের কাছে যাও। দেখো, তাদের কাছে কোন প্রতিদান পাও কি না?’’
হাসান এটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।