Skip to content
475 Hadiths

Encyclopedia of Prophetic Hadiths

ফলাফল ফিল্টার করুন

475 টির মধ্যে 7 টি কার্ড

ফিল্টার মুছুন

হাদীসের মান

“প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়; বরং সেই প্রকৃত বাহাদুর, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম “
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
“তোমরা এক অপরের প্রতি হিংসা করো না, কেনাবেচাতে জিনিসের মূল্য বাড়িয়ে এক অপরকে ধোঁকা দিয়ো না, একে অপরের প্রতি শত্রুতা রেখো না, একে অপর থেকে (ঘৃণাভরে) মুখ ফিরায়ো না এবং একে অপরের কেনাবেচার উপর কেনাবেচা করো না। আর আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমের ভাই। সে তার প্রতি যুলুম করবে না, তাকে লাঞ্ছিত করবে না, তাকে মিথ্যারোপ করবে না এবং তাকে তুচ্ছ ভাববে না। আর তাকওয়া হচ্ছে এখানে। তিনি নিজ বুকের দিকে ইঙ্গিত করে এ কথা তিনবার বললেন। কোনো মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ ভাবা একটি মানুষের মন্দ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, মাল এবং তার মর্যাদা অপর মুসলিমের ওপর হারাম।”
সহীহ ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে সে যেন উত্তম কথা বলে, অথবা সে যেন চুপ থাকে। যে আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে । যে লোক আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম
এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন: আপনি আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: “তুমি রাগ করো না।" লোকটি কয়েকবার তা বলতে থাকলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক বারেই বললেন: “রাগ করো না।”
সহীহ এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন।
“মুমিনদের মাঝে ঈমানে সেই পরিপূর্ণ, তাদের মাঝে যার চরিত্র সুন্দরতম। তোমাদের মধ্যে উত্তম হলো যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।”
হাসান এটি আবূ দাউদ, তিরমিযী ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন আমল দ্বারা মানুষ বেশি জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন: “আল্লাহর তাকওয়া ও উত্তম চরিত্রের কারণে।” জিজ্ঞাসা করা হল, কোন কাজের কারণে মানুষ বেশি জাহান্নামে যাবে? তিনি বললেন: “মুখ ও লজ্জাস্থানের কারণে।”
হাসান সহীহ এটি তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও আহমাদ বর্ণনা করেছেন।
“পূর্বযুগে কোন এক লোক ছিল, যে মানুষকে ঋণ প্রদান করত। সে তার কর্মচারীকে বলে দিত, তুমি যখন কোন অভাবগ্রস্তের কাছে (পাওনা আদায়ের জন্য) যাবে তখন তাকে ছাড় দিবে। হয়ত আল্লাহ তা‘আলা এ কারণে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যখন সে আল্লাহ তা‘আলার সাক্ষাৎ করল, তখন আল্লাহ তাকে ছাড় দিয়ে দেন।”
সহীহ সহীহ বুখারী ও মুসলিম